Showing posts with label Youtube. Show all posts
Showing posts with label Youtube. Show all posts

YouTube Community Guidelines YouTube Suspended

 

কমিউনিটি গাইডলাইন কি?

আমাদের ফেসবুকে একটা গ্রুপ আছে যে গুরুপে ৮০ হাজার মেম্বার আছে। এই ৮০ হাজার মেম্বার নিয়ে আমাদের একটা কমিউনিটি। কিন্তু আমাদের এই গ্রুপের কিছু নিয়ম নীতি আছে। যারা এই নিয়ম নীতি না মানে তাদের আমরা অনেক সময় ম্যাসেজ দিয়ে সতর্ক করি, আর অনেক সময় বিনা নোটিসে আমরা কিছু মেম্বারকে ব্যান করি, আবার কেউ যদি বার বার রুলস বাইলেশন করে তাহলে আমারা তাকে সারা জীবনের জন্য গ্রুপ থেকে সাসপেন্ড করি।

এতক্ষন আমি কোন গ্ররুপের নিয়ম বুঝাইনি বা গ্রুপের প্রচারও করিনি। শুধু বুঝানোর জন্য এই উদাহরনটা দিয়েছি। কারন ইউটিউব ও একটা কমিউনিটি। যেখানে রয়েছে ইউটিউব পাটনার যারা ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করে এবং আর্ন করে, কিছু এডভার্টাইজার আছে যারা ইউটিউবে তাদের কোম্পানীর প্রচারের জন্য এড দিয়ে থাকে এবং ভিউয়ার আছে যারা বিনোদনের জন্য   বা জ্ঞান অর্জনের জন্য শিক্ষা মূলক  ভিডিও ইউটিউবে দেখে থাকে।
এবং এই ৩ ক্যাটাগরির মেম্বার নিয়ে  ইউটিউব একটি কমিউনিটি। আর এই ইউটিউরে এই কমিউনিটির জন্য ও  কিছু নিয়ম  নীতি আছে যে নিয়ম না মানলে কোন কোন সময় তারা স্ট্রাইক দিয়ে সতর্ক করে আবার কোন সময় বিনা নোটিসে চ্যানেল সাসপেন্ড করে দেয় আবার অনেক সময় সারা জীবনের জন্য সাসপেন্ড  করে দেয়। ইউটিউব কোন কাজই বিনা কারণে করে না। আমরা অনেকেই ভেবে আমার চ্যানেলে কোন কপি রাইট স্ট্রাইক ছিল না কিন্তু তাও চ্যানেল সাসপেন্ড করে দিয়েছে। তারও হয় একটি কারন থাকে।
আর যদি আপনার চ্যানেল বিনা কারনে সাসপেন্ড করে দেয় তাহলে আপিল করার পর দেখবেন আপনার কাছে বলেছে আপনার চ্যানেল সাসপেন্ড হয়েছিল তা ছিল ইরর। তবে এর সংখ্যা খুবই কম। এবার আমরা দেখব কি কি কারনে অর্থ্যাত কোন কোন নিয়ম অমান্য করলে ইউটিউব কমিউনিটি গাইডলাইন স্ট্রাইক দিয়ে থাকে বা চ্যানেল সাসপেন্ড করে থাকে।

ইউটিউবে ৭ টি কারনে কমিউনিটি গাইডলাইন স্ট্রাইক বা চ্যানেল সাসপেন্ড করে থাকে

  • Nudity or sexual content
  • Harmful or dangerous content
  • Violent or graphic content
  • Copyright
  • Hateful content
  • Threats
  •  Spam, misleading metadata, and scams
এই কথাগুলো আমার না। এগুলো ইউটিউবের। এই কাজগুলো করলে আপনি কমিউনিটি গাইডলাইন এর আওতায় পড়বেন এবং তারা আপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে। এবার আমরা এই ৭ টি বিষয় নিয়ে আলোচনা করব।
  1. 1.Nudity or sexual content

ইউটিউবে পর্নোগ্রাফি এবং সেস্কুয়াল কনটেন্ট কখনও অনুমোদন করে না। এই ধরনের কন্টেন্ট আপলোড করলে আপনার ভিডিওটি সরিয়ে ফেলবে বা আপনাকে কমিউনিটি গাইডলাইট স্ট্রাইক দিবে। তবে অনেকেই চিন্তা করতে পারেন এই সব ভিডিওত আছে। তারা কিভাবে আপলোড করে। ইউটিউব রুলস অনুযায়ী শিক্ষামূলক বিষয়ে আপনি এই ধরনের কন্টেন্ট আপলোড করতে পারবেন এই পেইজে ইউটিউব উদাহরন দিয়েছে যে, ফিমেইলদের ব্রেস্ট ক্যান্সার নিয়ে যদি কেউ ডকুমেন্টারী তৈরী করে তা আপলোড করতে পারবে কিন্তু ভিডিওটি  এইজ রেস্ট্রিকটেড করে রাখতে হবে। মানে হল এই ভিডিওগুলো ১৮ বছর বয়সের কম বয়সীরা দেখতে পারবে না। তাবে এইজ রেস্ট্রিকটেড ভিডিওতে কোন এড সো করে না।
  1. Harmful or dangerous content

YouTube ক্ষতিকর ও বিপদজনক কোন ভিডিও আপলোডের অনুমোদন করে না। অথ্যাত এমন কিছু ভিডিও যে ভিডিওগুলোতে কোন ব্যক্তি বা সমাজের  ক্ষতি হওয়ার সম্ভবনা আছে।  এমন কিছু ভিডিও যা থেকে জঙ্গি, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বেড়ে যায়। যেমন কেউ যদি এমন একটা ভিডিও তৈরী করে যে কিভাবে বোমা বা গ্রেনেড তৈরী করা যায়, কিভাবে মাদক তৈরী করা যায়, চটকধার কোন গেমস নিয়ে ভিডিও  তৈরী করে যা দেখে কারো ক্ষতি হতে পারে, বা এমন আকর্ষনীয় ভিডিও তৈরী করলেন যা দেখে শিশুদের, বৃদ্ধদের ক্ষতি হওয়ার সম্ভবনা আছে তা করা যাবে না।
  1. 1.Violent or graphic content

Violent or Graphic Content হল মারা-মারি, কাটা-কাটি খুন, হত্যার দৃশ্য, হিস্রাত্মক,  এগুলোকে বুঝায়। অর্থ্যাত যেসব দৃশ্যে রক্ত বা ব্লাড সংশ্লিস্ট বিষয় আছে। যা দেখে লোকজন, শিশুরা অতংকিত হতে পারে। যেমন : কিছুদিন আগে আইএস নামে একটি জঙ্গি সংগঠন আমেরিকান এক সাংবাদিক কে জবাই করার একটা দৃশ্য তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছিল এবং তা অনেকেই ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করেছিল এবং এই ভিডিও আপলোড এর জন্য প্রত্যেকের চ্যানেলে কপিরাইট স্ট্রাইক এবং চ্যানেল সাসপেন্ড পর্যন্ত হয়েছি।
শুধু মানুষ হত্যা না কোন পশু-পাখির হত্যার ভিডিও ও প্রকাশ করা যাবে না। যেমন গত কোরবানির ঈদে অনেকে গরু জবাই করার দৃশ্য ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করেছিল  তার জন্য ও অনেকের চ্যানেলে স্ট্রাইক পেয়েছিল এবং চ্যানেলে সাসপেন্ড হয়েছিল। মোট কথা হল এমন কোন ভিডিও আপলোড করা যাবে না যেসকল ভিডিও গুলো দেখে ভয় বা অতংকিত হতে পারেন। অনেকেই বলতে পারেন এইসব দৃশ্য দেখে হয়ত আপনার  আমার ভয় লাগে না। কিন্তু ইউটিউব এমন একটা কমিউনিটি যেখানে  বৃদ্ধ, শিশু ও এই কমিউনিটির সাথে যুক্ত। এই সব দৃশ্য দেখে তারা হয়ত ভয় পাবে। তাই ইউটিউব এই ধরনের ভিডিও নিষিদ্ধ করেছে।
  1. 1.Copyright

কপি রাইট  বিষয়টা অনেকের জানা। কপিরাইট অনেক বড় একটা কমিউনিটি গাইডলাইন রুল। সংক্ষিপ্ত ভাবে বলতে গেলে অন্যের কন্টেন্ট কপি করে আপনার চ্যানেলে আপলোড করা যাবে না। তার মানে শুধ আপনি একটা চ্যানেল থেকে ভিডিও ডাউনলোড করে আপনার চ্যানেলে আপলোড করা বুঝায় না। যেমন : বাংলাদেশের বিখ্যাত একজন শিল্পির গানের অনুষ্ঠান বা স্টেজ শোতে আপনি অংশগ্রহন করতে গিয়েছেন এবং সেই অনুষ্ঠানের দৃশ্য আপনি ক্যামেরা বা মোবাইলে ধারন করেছেন তার আপলোড করে দিলেন আপনার চ্যানেলে। অনেকেই এইটাকে কপি-রাইট মনে করেন না।
কিন্তু ইউটিউবের কাছে এইটাও কপিরাইট। কারন আপনি শুধু ভিডিও ধারন করলেন কিন্তু পারফরমেন্সটা আপনার না। অথবা এটা টিভি প্রোগ্রাম আপনি রেকর্ড করে চ্যানেলে আপলোড করেছেন তাও কপিরাইট। কারন ঐ প্রোগ্রামের ক্রাডিট আপনার না। তার মানে হল কনসার্ট, টিভি প্রোগ্রাম ইত্যাদি ভিডিও করে চ্যানেলে আপলোড করা যাবে না। ইউটিউব সব সময় চায় রিয়েল কন্টেন্ট অর্থ্যাত যে কন্টেন্টের একমাত্র ওনার বা পারফরমার আপনি এই ধরনের কন্টেন্ট আপলোড করতে পারবেন।
  1. Hateful content

হেইটফুল কন্টেন্ট হল আপনার এমন একটা বক্তব্য যার দ্বারা কোন একটা জাতি, ধর্ম  বা কোন একটি দেশের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ বা ব্যাঙ্গ করা বুঝায়। অথবা কোন একজন ব্যক্তি আপনার বক্তব্যে কষ্ট পায়। এমন কন্টেন্ট  আপলোড করা যাবে না।  ইউটিউব সবসময় মুক্ত চিন্তা বা মুক্ত বক্তৃতায় বিশ্বাস করে কিন্তু তারপরও হেইটফুল  কন্টেন্ট আপলোড করার অনুমতি দেয় না কারন ইউটিউবে অনেক ধর্মের  বা  বিভিন্ন জাতি, গোষ্ঠির লোকজন এই কমিউনিটিতে আছে।
তাই সকল শ্রেনীর লোকজনকে ইউটিউব রেসফেক্ট করে হেইটফুল কন্টেন্ট অনুমোদন দেয় না। তবে সাবলীল ভাষায়,অর্থবহ কোন বক্তব্য দিয়ে কোন দেশ, জাতি বা ধর্মের সমালোচনা করতে পারবেন যদি বক্তব্যে কোন অশ্লীল বা অশালীন কথা-বার্তা না থাকে। যেমন আপনি খুবই ভাল মানের একটা ভিডিও তৈরী করলেন। যে ভিডিওটি সবার জন্যই উপকারে আসবে। কিন্তু সেই ভিডিওতে দেখবেন ১০০ লাইক হলে অন্তত ৫টা হলেও ডিসলাইক পড়বে। এবং ৫০টা ভাল টিউমেন্ট হল ২টা হলে ভিডিও ভাল হয়নি এমন টিউমেন্ট আসবে। তাই আপনার পছন্দ আরেকজনের ভাল নাও লাগতে পারে বা আরেকজনের পছন্দ আপনার পছন্দ নাও হতে পারে। তাই গঠনমূলক সমালোচনা করতে পারবেন।
  1. Threats

থ্রেটস হল কোন ভিডিওতে কাউকে হুমকি দেওয়া। মানে হল কেউ কোন ভিডিও তৈরী করল এবং কোন ব্যক্তি, গ্রুপ বা একটা কমিউনিটিকে হত্যা, শারিরিক, মানসিক হেরেসমেন্ট এর হুমকি  দিয়ে থাকলে এই সব ভিডিও আপলোড করা যাবে না।
  1. Spam, misleading metadata, and scams

হল খুবই গুরুত্বপূর্ন এবং অনেক বাড় একটা কমিউনিটি গাইডলাইন  রুল। শুধুমাত্র স্প্যাম মিসলেডিং মেটাডাটা নিয়ে আমার চ্যানেলে একটা ভিডিও আছে দেখে নিতে পারেন। তাও এ বিষয় নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করছি। স্প্যাম হল একই কাজ বারবার করা যেমন আপনি একটা ভিডিও লিংক বার বার এখানে সেখানে শেয়ার করছেন যা সবার কাছে পছন্দ না। যেমন একটা ট্রাভেলিং ভিডিওতে বান্দরবন কি কি দেখার আছে তা নিয়ে আলোচনা করছে কিন্তু  টিউমেন্টে আপনি আপনার ইউটিউব নিয়ে তৈরী করা ভিডিও লিংক টিউন করছেন বা সবাই টিউমেন্ট করছে কিভাবে ঢাকা থেকে বান্দরবন যাবেন কিন্তু আপনি টিউমেন্ট করছেন ইউটিউবে কিভাবে আর্ন করবেন আমার ভিডিওটি দেখুন।
এই ধরনের কাজকেই বলে স্প্যাম। আর মিসলেডিং মেটাডাটা স্প্যামিং এরই একটা অংশ যেমন, আপনি অন্যের টাইটেল,ডেসক্রিপশন বা ট্যাগ  কপি আপনার ভিডিওতে বসিয়েছেন। বা আপনি এমন একটা টাইটেল দিলেন যা আপনার ভিডিও টপিকসের বাইরে। ডেসক্রিপশনে ট্যাগগুলো বসিয়ে দিলেন এইটাও মিসলেডিং মেটা ডাটা। ট্যাগগুলো আপনি ডেসক্রিপশনে িইউজ করতে পারবেন কিন্তু তা Sentence  আকারে ইউজ করতে হবে। আর Scam হল কাউকে লোভ দেখানো বা কাউকে লোভ দিখিয়ে আপনার ভিডিওটি দেখানো।
অর্থ্যাৎ কিছু ভিডিও টাইটেলে দেখা যায় কিভাবে আপনি প্রতি সপ্তাহে ১০০০ ডলার আর্ন করবেন কিন্তু ভিডিওতে দেখা গিয়েছে সে আপওয়ার্কে কিভাবে রেজিস্ট্রেশন করা হয় তা নিয়ে আলোচনা করছে বা এমন আকর্ষনিয় টাম্বনেল ইউজ করছে যা নিয়ে আসলে আপনার ভিডিওতে কোন আলোচনা নেই এগুলোই হল স্কেম। আর Spam, misleading metadata, and scams এর কারনেই বেশীরভাগ চ্যানেল সাসপেন্ড হয়।
তাই সবাই রিয়েল ভাবে কাজ করুন। যারা ইউটিউব কে প্রফেশন হিসেবে দেখতে চান তারা সবার আগে যে বিষয়টা চিন্তা করবেন তা হল আপনি যে বিষয়টা আপনি খুবই ভাল জানেন তা নিয়ে ভিডিও তৈরী করুন। এবং ধৈর্য ধরে কাজ করতে থাকুন। কারন আজ যারাই বড় বড় ইউটিউবার তার এক, দুইদিন, এক, দুইমাসে এত বড় পর্যায়ে আসে নাই। সবাই অনেক কষ্ট করে বছরের পর বছর কাজ করে এই পর্যায়ে এসেছে। সবার প্রতি শুভ কামনার রইল।

ইউটিউবের ভিডিওের ভিউ বারিয়ে নিন এখন।

 
একটা কথা...
ভালো জিনিসের কদর উপরওয়ালা ও করে
আমি শুরুতেই বুঝাতে চাইলাম যেখানে উপরওয়ালা ভালো জিনিসের মূল্যায়ন করে, সেখানে এটা তো নিশ্চিত যে ইউটিউব অবশই আপনার থেকে ভালো জিনিশ পেলে আপনাকেও  ভালো কিছু জিনিস উপহার দিবেই। বিশেষ করে যাদের adsense আছে তাদের জন্য এটা অবশ্যই আশার ব্যাপার। এখন আসুন কাজের কথা বলি। আজকে আমারা জানবো  কিভাবে ইউটিউবের ভিডিওের ভিউ বাড়াতে পারবেন। আমি ভাই খুব কম জানি। তাই সহজ সহজ কিছু কথা বলে আপনাদের ধারনা দিতে চেষ্টা করবো। চলুন কিছু ছোট ছোট স্টেপে  কাজ শেষ করি।
১. ভালো মানের ভিডিও তৈরি করুন-
আপনাকে অবশ্যই ভালো ভিডিও তৈরি করতে হবে। আপনি যদি ভালো মানের ভিডিও তৈরি না করে এমন ভিডিও তৈরি করেন, যে ভিডিও থেকে মানুষের কোন উপকার হয় না,  ঘোলা ভিডিও যেখান থেকে কিছু বুঝা যায় না, ওই রকম ভিডিও থেকে আপনি বেশি শেয়ার আশা করতে পারেন না। মানুষ অল্প কিছু টাইম আপনার ভিডিও দেখেই বিরক্ত হয়ে  যাবে। হয়তো যাওয়ার আগে একটা ডিসলাইক দিয়ে যাবে :p। এটা অবশই কাম্য না। আপনার ভিডিও মান ভালো হলে মানুষ অবশ্যই আপনার ভিডিও দেখেবে > উপকার পাবে  > শেয়ার করবে + লাইক দিবে > শেয়ার করার কারনে আরও আরও ভিউ পাবেন > আরও লাইক + আরও টিউমেন্ট পাবেন > আরে ভাই এটাই তো চাই?? নাকি ??
মুল কথা হল মানুষের জন্য কাজ করুন। আপনার ভালোটা উপরওয়ালাই দেখবেন। এটাই প্রকৃতির নিওম।
২. ভিডিওর টাইটেল, ট্যাগ, ডেসক্রিপসন ঠিক করে দিন-
এত দিন হয়তো গুগলের জন্য এসইও করে আসছেন। এবার আসুন ইউটিউবের জন্য এসইও করতে হবে। হম... তো আগেই বলি, ইউটিউবের এসইও তে ওয়েবমাস্টারের কোন কাজ  নাই, এখানে ভালো রাঙ্কের জন্য ব্যাকলিঙ্ক বিশেষ কাজে লাগে না। যেটা করতে হবে সেটা হল আপনি এসইও করবেন টাইটেল, ট্যাগ এবং ডেসক্রিপসনে। প্রথমে টাইটেল দিন খুব ভেবে  যেন  টাইটেল পরেই মানুষ বুঝতে পারে যে ভিডিওতে কি আছে (অর্থাৎ অর্থপূর্ণ), এবং কীওয়ার্ড ব্যাপারটাও মাথায় রাখতে হবে। অর্থপূর্ণ টাইটেলের জন্য ভালো কীওয়ার্ড খুজে বের  করতে গুগল আপনার জন্য রেখেছে এডওয়ার্ড টুল। একই ভাবে ডেসক্রিপসনএ কীওয়ার্ডের মিল রেখে একটা ৩০০ শব্দের বর্ণনা দিন জেন মুল কীওয়ার্ড প্রথম ৫০ শব্দের ভেতর থাকে।  ভিডিওর সাথে মিল রেখে ট্যাগও দিয়ে ফেলুন। ভিডিওর ক্যাটাগরিটা সঠিক ভাবে দিতে ভুলবেন না কিন্তু।
৩. ভিডিও শেয়ার করুন-
তো ব্যাকলিঙ্ক কাজে লাগবে না বলে ভিডিও শেয়ার করবেন না?? আপনার ভিডিও শেয়ার করুন facebook, goolge+, Twitter, LinkedIn,  Pinterest. আপানার নিজের কোন ওয়েবসাইট, ব্লগ থাকলে সেখানেও শেয়ার করুন। ফেসবুকএ আপানার ভিডিওর সাথে মিল রেখে বিভিন্ন গ্রুপেও শেয়ার করতে পারেন।  সেখান থেকে অনেক ভালো ফলাফল পাবেন। তবে একটা কথা স্পাম করবেন না। অনুরধ করতেসি।
৪. ইউটিউবের মাধ্যমে ফ্রী তে আপনার ভিডিও প্রমট করান-
কি ভাই?? এটা জানেন না নাকি যে ইউটিউব আপনার ভিডিও ফীতে প্রমট করে দিবে ?? এটা নতুন কিছু না। সত্যিই করে দিবে। কিভবে করবেন? আগে আপনার ইউটিউব  অ্যাকাউন্টে লগিন করে এখানে যান। http://www.youtube.com/featured_content। দেখবেন ইউটিউব আপানার ভিডিও প্রমটের বেবস্থা করে রেখেছে। আমি এই  প্রমট ব্যবহার করে ৪ দিনে ২৫০+ ভিউ পেয়েছি। আমার মত কিছু না জানা মানুষের কাছে এটা অনেক কিছু আসলে। তবে এই ফ্রী প্রমত ব্যবহার করে আপনি হাজারের উপর ভিউ  পেতে পারেন এটা নিশ্চিত।
৫. নিজের subscriber বাড়াতে চেষ্টা করুন-
আপনি যতই ভিউ পান না কেন subscriber এর মূল্য অনেক বেশি। কারন subscriber রা আপনার ভিডিও তে আবার দেখতে আসবে এবং আপনার ভিউ বাড়বে। ফেসবুকে আপনার বন্ধুদের বলুন আপনাকে subscribe করতে, ভিডিওর শেষে বলুন "please subscribe me", বিভিন্নি ব্লগ-ফোরামে আপনার চ্যানেলের বেপারে তথ্য দিয়ে অখানে বলুন আপনাকে subscribe করতে। মুলত যা যা পারেন subscriber বাড়াতে করে যান। লাভ আপনারই।
৬. নিজে কিছু করুন-
কপি করা ভিডিওর দিন শেষ। তাছাড়া কপি করাতো চুরির সমান। তাই না?? ভাই এই চুরির চিন্তা বাদ দেন। নিজে যা পারেন ভিডিও করেন। আজ কাল তো নরমাল মোবাইলে ভালই ভিডিও হয়। তো ওটা দিয়েই শুরু করুন। একটা ভালো ভিডিও এডিটর সফটওয়্যার ইউস করতে পারেন। তাছাড়া আপনি চাইলে আপনি আপনার পিসি মনিটর রেচরদ করেও ভিডিও বানাতে পারবেন। তবে যাই বানান, টা জেন অর্থপূর্ণ হয়, এবং মানুষের উপকারে আসে। তাহলে মানুষ আপনাকে ভালবেসে অনেক কাছে টেনে নিবে। ভুলেও কপি করেবন না একদম। তাহলে আপনার সাধের চ্যানেল বান খেয়ে জেতে পারে।
আপনারা আমার থেকেও অনেক বেশি জানেন। ছোট মাথায় যা যা ধরে তা তা বললাম। এই আর কি। আমার ভুল পেলে শুধরে দিবেন। আপানার মতামত কামনা করছি।

আপনি কি YouTube+Adsence দিয়ে দিনে ৪+ডলার আয় করত চান।

 

আমার এই টিউন টি শুধু নতুন এবং যারা আয় করার চেষ্টা করছেন তাদের জন্য!

আগেই বলেনেই যাদের টিউন পড়ার ধর্য্য নেই তারা এখানে বন্ধ করে অন্য টিউন পরুন



যারা নতুন আমি তাদের বলব ধর্য্য ধরে থাকতে এবং নতুন নতুন Video তৈরি করে আপনার চ্যানেলে Upload করুন আর বেশি বেশি Marketingকরুন। দেখবে একটা সময় আপনি ভাল পরিমান উপার্যন করতে পারছেন। আমি তার গ্যারান্টি দিচ্ছি। (কথায় আছে পাকলে ফল মিষ্টি, কাচা ফল টক) তাই আগে চ্যানেল আর অ্যাডসেন্স কে পাকতে দিন।
কাজের কথায় আশাযাক..........................!

১ম: আপনার যা যা লাগবে তা দেখেনিন!

  • আপনার ১টি কম্পিউটার।
  • ভালো মানের নেট লাইন।
  • কম্পিউটার এবং নেট লাইন চালানোর মুটা মুটি অভিজ্ঞতা। (তবে ইন্টারনেট জগত সম্পর্কে হাল্কা ধারনা থাকা দরকার)
  • একটি Video Editing Software। (যা আপনি বিনামূল্যে পেতে পারেন)
  • YouTube.com সম্পর্কে অল্প কিছু ধারনা। (পরে কাজ করতে করতে নিজেই জানতে পারবেন)
  • একটি Gmail.com / Google.com থেকে E-mail ID যা আপনি Google এর যে কোন কাজে ব্যবহার করতে পারবেন।
  • YouTube.com একটি চ্যানেল যা আনি Gmail.com / Google.com এর E-mail আইডি টি দিয়ে কাজরতে পারবেন।
  • এবার YouTube.com থেকে Adsence একাউন্ট এর জন্য আবেদন করবেন। (এ সম্পর্কে টিটি অনেক পোষ্ট আছে যা আপনি একটু খুজলেই পাবেন)
* আরো কিছু লগবে যা আপনি কাজ করতে করতে বুঝতে পারবেন.....................!

২য়: কিভাবে করবেন তা দেখেনিন!

  • আপনি প্রথমে YouTube.com এ Sign Up করুন আপনার Gmail.com আইড দিয়ে।
  • এবার আপনি Use YouTube as... লেখা দেখতে পাবেন যদি আপনার ১এর অধিক চ্যানেল করা থাকে তাহলে।
  • সবথেকে গুরুত্তপূর্ণ বিষয় হল আপনার চ্যানেল এর নাম/বিষয় নির্বাচন করা। (যেন আপনার সুন্দর সুন্দর Video গুলি আপনার ভিজিটর খুব সহজেই পেয়ে যায়)
  • চ্যানেলের একটা লোগো এবং কাভার ফোট তৈরি করে তা আপনর YouTube চ্যানেলে নির্ধারিত স্থানে যোগ করুন।
  • আপনার তৈরি করা নতুন নতুন Video Upload করুন।

৩য়: কি Video / চ্যানেল বানাবেন  তা দেখেনিন!

  • Sports, Games, Tips and Tricks, Tutorial, আরো যে কোন বিষয়ের উপর আপনি Video বানিয়ে তা Video Upload করে অনেক টাকা আয় করতে পারেন।
  • আপনারা যারা নতুন তাদের বলব যে আপনারা যে কোন ১টি বিষয়ের উপর ১টি চ্যানেল খুলে কাজ শুরু করুন।
  • এর পর আর একটি নতুন বিষয় নিয়ে আবার ১টি চ্যানেল খুলে কাজ শুরু করলেন এবং পরের করা চ্যানেলটির লিংক আপনার আগের চ্যানেলে এড করুন। (এতে আপনার Marketing এর হিসেবে কাজ করবে।)

৪থ: কিভাবে এ সব Video / চ্যানেল Marketing তা দেখেনিন!

  • একটু কষ্ট করে আপনাকে এই সকল Video Marketing করতে হবে।
  • যাতে আপনার Video শুধু YouTube না বরং Google, Yahoo, Facebook ইত্যাদি জায়গা থেকে সার্চ করলেই যেন পায় সকলেই।
  • সঠিক ভাবে SEO এর কাজ করলেই আপনার ভিউ আর আয় দুটি সমান হারে বারতে থাকবে ইনশাআল্লাহ্।
এবার ঠিক বুঝতে পারছেন যে কিভাবে কাজ করলে আপনি সফল হতে পারবেন।
সবাই ভালো থাকুন।

Translate

Follow Us

Sign up now

Get Dot com