Showing posts with label Blogger. Show all posts
Showing posts with label Blogger. Show all posts

Best Auto Approve Directory Submission site list 2023

সোশ্যাল বুকমার্কিং ও ডাইরেক্টরি প্রায় একই রকম কাজ করে বা একই রকম হয়ে থাকে। তাই বলে মনে করার দরকার নেই যে এই দুটো পদ্ধতি একই রকম। নেটে হাজার হাজার সাইট আছে যেখানে শুধু বিভিন্ন ওয়েবসাইটের ঠিকানা দেয়া থাকে। অনেক সাইট আছে যেখানে কোটি কোটি সাইটের ঠিকানা আছে।সাইটের লিংক বা ঠিকানাগুলি বিভাগভিত্তিক সাজানো থাকে। যেমন সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং নামে যদি একটা বিভাগ থাকে তাহলে সেখানে ফেসবুক,টুইটার সহ সব সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের ঠিকানা থাকবে। খেলা বিভাগ থাকলে সেখানে খেলাধুলা বিষয়ক সাইটগুলির লিংক থাকবে।
এভাবে অনেক বিভাগ থাকে এবং প্রতি বিভাগে সংশ্লিষ্ট সাইটগুলির তালিকা থাকে।এতে করে সাইট খুজে পেতে সুবিধা হয়। ধরুন কেউ ওয়েব ডিজাইন বা ডেভেলপমেন্ট এর টিউটোরিয়াল আছে এমন সাইট খুজছে, এখন সে যদি এ ধরনের সাইটের তালিকা সংরক্ষন করে এরুপ সাইটে গিয়ে কম্পিউটার বিভাগে অনুসন্ধান করে তাহলে হয়ত এ ধরনের অনেক সাইট পেতে পারে। যে সাইটগুলি এরুপ হাজার হাজার সাইটের ঠিকানা বিভিাগভিত্তিক সাজিয়ে রাখে সেই সাইটগুলিকে বলে ডিরেক্টরি সাইট।আর এরুপ সাইটে আপনার সাইটের লিংক প্রদান করার প্রক্রিয়াটিকে বলে ডিরেক্টরি সাবমিশন। এধরনের অনেক ডিরেক্টরি সাইট আছে যারা বিনামুল্যে আপনার সাইটের লিংক সংশ্লিষ্ট বিভাগে যোগ করতে দেবে। এখনতো যার যে ধরনের সাইটের দরকার হয় সে ধরনের দু একটা শব্দ গুগলে লিখে এন্টার দিলেই ঐ ধরনের সাইটগুলি চলে আসে।কিন্তু সার্চ ইন্জিন তৈরীর আগে মানুষ এসব ডিরেক্টরি সাইট থেকেই নিজের প্রয়োজনীয় সাইট খুজে নিত। এখনও যারা নতুন নতুন কম্পিউটার জগতে আসে, ইন্টারনেট কানেকশন নেয় তারা এভাবে সাইট খুজে পেতে চেষ্টা করে।যাই হোক কাজ হচ্ছে বিভিন্ন ডিরক্টেরি সাইটে আপনার সাইটের লিংক সাবমিট করা। এতে করে যারা ডিরেক্টরি সাইটের মাধ্যমে ওয়েবসাইট খোজে তারা আপনার সাইটের খবর পাবে এবং আপনার সাইটের ট্রাফিক/visitor বাড়বে। তো চলুন এবার একটা ডিরেক্টরি সাইটে একটা সাবমিশন করার পদ্ধতি দেখি। প্রথমে আপনি একটা ডিরেক্টরি সাইটে প্রবেশ করুন।
  • Submit Link/Add link/Add Url লেখা বাটনে ক্লিক করুন।
  • Regular links free লেখা আছে যেই বাটন সেই বাটনটি ক্লিক করে সিলেক্ট করুন।
  • এবার নিচের ফাকা ঘরগুলো পূরুণ করুন। আপনাদের বোঝানোর ক্ষেত্রে আমি নাম্বার প্রয়োগ করেছি।আসুন সেগুলো ক্রমিক অনুযায়ী দেখি।(বায়ার আপনাকে এগুলো দিয়ে দিবে বা আপনাকে নিতে হবে)
  1. Title: এই ঘরে আপনি আপনার ডাইরেক্টরির টাইটেল বা শিরোনাম দিবেন।একসাথে দুই টার বেশি টাইটেল দেবার দরকার নাই। একটা করে দিলে শব থেকে ভাল। দুই টা দিতে হলে এভাবে দিবেন। দুই টাইটেল এর মাঝে pipeline দিয়ে দিবেন।
  2. EX:: Application for APK | App For APK.
  3. Url: এখানে আপনি আপনার সাইটের নাম দিবেন তবে অবশ্যই যেন http:// এটা সহকারে হয়। যেমন http://rakibrps.online/ বা http://http://www.rakibrps.online/
  4. Description: এই ঘরে আপনার সাইটের ডিসক্রিপশন দিবেন।এটা আপনি নিজে তৈরী করে নিতে পারেন। অথবা আপনার সাইটের আর্টিকেল অনুযায়ী দিতে পারেন।
  5. META Keywords: এই ঘরে আপনি আপনার সাইটের কিওয়ার্ড দিবেন। সেটা ১টি বা তার অধিক তবে বেশি না দেওয়াই ভালো।
  6. META Description: এখানে আপনার সাইটের মেটা ডিসক্রিপশন দিবেন।এটা মুলত সাইটের অনপেইজের ডিসক্রিপশন।
  7. Your Name: এখানে আপনার নাম লিখুন। যেকোনো নাম দিতে পারেন।
  8. Your Email: আপনার ইমেইল আইডি দিন।
  9. Category: আপনার সাইট অনুযায়ী ক্যাটাগরি নির্বাচন ঠিক করুন।
  10. Reciprocal Link URL: এই ঘরটি খালি রাখুন।
  11. Submission Rules Agreement: ফাকা বাটনটিতে ক্লিক করুন।
  12. সর্বশেষে আপনি Continue বাটনে ক্লিক করুন।
  13. এরপর আসবে your link is submitted. OR
  14. Pending for approval
এখানে লিখা আছে যে আপনার ডাইরেক্টরিটি সম্পূর্ণ হয়েছে। তবে এটি এপ্রুভ এর জন্য অপেক্ষায় আছে। তাই আপনাকে কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে।আপনার ডাইরেক্টরি এপ্রুভ হলে ইমেইল এর মাধ্যমে তা জানানো হবে। তাই বলে বসে না থেকে অন্য সাইটে কাজ করতে থাকুন। তবে দিন শেষে ইমেইল চেক করতে ভুল্বেন না।
আপনার ডাইরেক্টরি সাবমিশনটির সব ঘর ফিল উপ হয়ে গেলে একটা screen shot নিয়ে folder এ save করে রাখুন। এখন আপনি এই পেইজের লিংকটি(ডাইরেক্টরি সাবমিশন করার আগের) এর আগের কপি করে Excel Sheet এ সংরক্ষণ করুন। আশা করি বিষয়টি মোটামুটি বুজতে পেরেছেন। কয়েকটি ডাইরেক্টরি সাবমিশন আপনি নিজে করুন দেখবেন যে অনেকটা সহজ হয়ে গেছেন। একটি কথা না বললে নয় সেটি হলো অনেক সাইটে কোনো রেজিষ্টেশন ছাড়াই আপনি ডাইরেক্টরি সাবমিশন করতে পারবেন এবং অটো এপ্রুভ হবে ||
What is Reciprocal link 
Reciprocal link হচ্ছে এক ধরনের মিউচুয়াল ট্রাফিক এক্সচ্যাঞ্জ বা লিংক এক্সচ্যাঞ্জ।আপনাকে একটা ব্যাক লিংক দেয়ার বিনিময়ে আপনার সাইটে সংশিষ্ট ওয়েবসাইট এর একটা লিংক তারা দেখতে চায়।আপনি আপনার ওয়েবসাইট এর যে পেইজ এ রিসিপ্রোকাল লিংকটা রাখবেন ডোমেইন এর ঘরে সেই লিংকটা মানে ইউ আর এল টা বসিয়ে দেবেন।যদি আপনি হোমপেইজ এ রাখেন তাহলে হোমপেইজ এর ইউআরএল টা ইউর ডোমেইন এর ঘরে বসিয়ে দেবেন।বাস হয়ে গেল।আরো জানুন http://en.wikipedia.org/wiki/Link_building

How to make effective Directory Submissions

Directory submission is a very easy link building process. Anyone can easily understand and follow the process. Anyone can easily understand and follow the process except for the fact that one has to have some basic SEO knowledge to maximize the results.
The first and the most important step is to study the website for which you are going to start your work.
The next step is to have your titles and description ready. Create as many sets as you would like to in advance and have it in an excel file. This will speed up the submission process.Make a Complete detail from the website which include:
  1. Title

  1. Url

  1. Description

  1. Keywords

  1. Name

  1. Email-ID
The next important step is to select the category in which you are going to submit your site because if category is not right then there are very less chances of approval, that’s why studying website is very important which will make you understand what services or information your website is providing.
Use free auto fill form tools available on the web so that you can increase your directory submission speed.
Before starting the directory submission process just make sure that all details are collected and saved.
There are lots of sites where you can find free Directory list, for example you can go to:
Now go to any one of those sites and start submitting your site to Directories. Do directory submission as much as possible and every keyword. When you have a large number of keywords, then do at least 30-50 submissions for every keyword. You can change the number according to the keyword because some keywords require more submissions than another because of the competitiveness. Directory submissions are of those three types:
  1. Regular or free
  2. Featured or paid
  3. Regular with reciprocal
Regular submissions are free of cost.
Featured submissions are paid submissions.
Reciprocal link exchange will be taking place most likely in between two sites and sometimes in between a normal site a directory site.
Paid submission is quickly accepted if your site is good and you don’t have to wait months for someone to review your site.
But the question arises why to go for paid ones when you are getting backlinks free of cost, that’s why most of SEO optimizers opts free submissions rather than paid ones.
While doing directory submissions make sure that you are providing correct information and in a neat and clean way otherwise the editor will not approve your link, so do not just concentrate on more directory submissions but concentrate on quality factor as well.
Now let us just take a look at Directory Submission Process:
Directory Submission Process
Directory Submission Process


Directory submission looks simple process, but not easy as it is fruitful only when your links are getting Approval and ultimately you get more Backlinks.


BEST AUTO APPROVE DIRECTORY SUBMISSION SITE LIST

http://www.411freedirectory.com
http://www.a3place.com
http://www.abstractdirectory.net
http://www.acedirectory.org
http://www.activdirectory.net
http://www.adbritedirectory.com
http://www.addgoodsites.com
http://www.addirectory.org
http://www.advancedseodirectory.com
http://www.afunnydir.com
http://www.alive-directory.com
http://www.alivelink.org
http://www.angelsdirectory.com
http://www.apeopledirectory.com
http://www.aquarius-dir.com
http://www.ask-directory.com
http://www.asklink.org
http://www.aweblist.org
http://www.backpagedir.com
http://www.bedirectory.com
http://www.beegdirectory.com
http://www.bestbuydir.com
http://www.bestdirectory4you.com
http://www.bing-directory.com
http://www.businessfreedirectory.biz
http://www.businessfreedirectory.com
http://www.classdirectory.org
http://www.clicksordirectory.com
http://www.craigslistdir.org
http://www.craigslistdirectory.net
http://www.directdirectory.org
http://www.directory10.biz
http://www.directory10.org
http://www.directory3.org
http://www.directory4.org
http://www.directory5.org
http://www.directory6.org
http://www.directory8.org
http://www.directory9.biz
http://www.directoryanalytic.com
http://www.directorydirect.net
http://www.domainnamesseo.com
http://www.ebay-dir.com
http://www.ecodir.net
http://www.efdir.com
http://www.exampledir.com
http://www.facebook-list.com
http://www.familydir.com
http://www.fire-directory.com
http://www.globaldir.org
http://www.harddirectory.net
http://www.homedirectory.biz
http://www.hotdirectory.net
http://www.hotlinks.biz
http://www.huludirectory.com
http://www.ifidir.com
http://www.interesting-dir.com
http://www.justdirectory.org
http://www.lemon-directory.com
http://www.linkedin-directory.com
http://www.mediafiredirectlink.com
http://www.nicedir.net
http://www.one-sublime-directory.com
http://www.piratedirectory.org
http://www.poordirectory.com
http://www.populardirectory.biz
http://www.populardirectory.org
http://www.prolink-directory.com
http://www.reddit-directory.com
http://www.relateddirectory.org
http://www.relevantdirectories.com
http://www.relevantdirectory.biz
http://www.royaldirectory.biz
http://www.searchdomainhere.com
http://www.seooptimizationdirectory.com
http://www.smartdir.org
http://www.steeldirectory.net
http://www.sublimedir.net
http://www.sublimelink.org
http://www.target-directory.com
http://www.targetlink.biz
http://www.toptendir.net
http://www.trafficdirectory.org
http://www.unique-listing.com
http://www.upsdirectory.com

Top 20 High Page Rank Auto Approve Dofollow Blogs List

এস ই ও এক্সপার্টরা জানেন যে প্রত্যেক ব্লগারকে তাদের ওয়েবসাইটের পেজ রেঙ্ক পাওয়ার জন্য অবশ্যই উচ্চ মানের ব্যাকলিংক প্রয়োজন। বিভিন্নভাবে ব্যাকলিংক পাওয়া যায় যেমন ফোরাম টিউনিং, ডিরেক্টরি সাবমিশন, ব্লগ টিউমেন্ট ইত্যাদি। তাই আমি আজ যে লিস্ট শেয়ার করছি তা দিয়ে আপনারা ব্যাকলিংক তৈরির পাশাপাশি ভালো ভিজিটরও পেতে পারেন।

নিচে ২০ টি উচ্চ পেজরেঙ্ক বিশিষ্ট অটো এপ্রুভ ডুফলো ব্লগের লিস্ট লাগলে নিয়ে নিন।

http://foros.universia.es/
http://www.educause.edu/blog
http://pressblog.uchicago.edu/
http://delong.typepad.com/
http://www.grokdotcom.com/
http://links.org.au/
http://www.currybet.net/
http://blog.mofuse.com/
http://www.socialtimes.com/
http://weblogtoolscollection.com/
http://www.seomoz.org/blog
http://www.communityspark.com/
http://focusorganic.com/
http://www.layercake.net/
http://www.hobo-web.co.uk/seo-blog/
http://www.krisbuytaert.be/blog/
http://blog.dmbcllc.com/
http://therenegadewriter.com/
http://www.iayork.com/MysteryRays/
http://www.lifeinthefastlane.ca/

ব্লগিং করে আয় করতে চান? আপনার জন্য আমার লেখা একটি রূপক গল্প।

 
আমি লেখক নই, আমি কবি নই। টেকনোলোজি নিয়া এট্টু আট্টু লিখি বলে কি গল্প, কবিতা লেখার শখ নেই?
নিজের একটা ব্লগ সাইট আছে সেটাও আবার বাংলা। ইনকাম বলতে কিছুই নাই। শুনেছি ইংরেজীতে ব্লগ লিখে অ্যাডসেন্স দিয়ে অনেকে বড় লোক হয়েছেন। তবে আমি বাংলা ব্লগে যা আয় করি তা আমার চাহিদার চেয়ে সামান্য বেশি। মাথা ঘুরে গেল নাকি? আসলে চাহিদার তো শেষ নেই। তবুও কেন চাহিদার বেশি বললাম জানেন? হুম আজ আমি ব্লগ আয়ের গুষ্টি উদ্ধার করে ছাড়ব গল্প আর বাস্তব উদাহরনে। যদি আপনারা কষ্ট করে আর সময় নস্ট করে আমার ববকানি গুলো শুনেন। আগেই বলছি, আজকের লেখা লিখছি ব্লগিং করে আয় করতে চান এমন নতুন ভাই বোনদের জন্য সাথে এক্সপার্টদের জন্যও। আমি চাই নবীনরা আমার লেখায় কিছু শিখুক আর এক্সপার্টরা যাচাই বাচাই করে ভুল ত্রুটি গুলো ধরিয়ে দিক, মতামত প্রদান করুক। কি যেন বলছিলাম? ও... চাহিদার বেশি ইনকামের কথা। এই কথার মর্মটা বলছি, আমার বয়স এখন ১৭ তে পড়েছে কেবল। বয়সটা পড়াশুনা করার, ঘুরে ফিরে বেড়াবার। কিন্তু জন্মগতভাবে পায়ের রোগ ধরা পরায় আমি এখন সমাজে প্রতিবন্ধী নামের মানুষ। প্রথম প্রথম কষ্ট পেতাম এখন আর পাইনা। এখন আমি এই বয়সেই কিছুটা অর্জন করতে পেরেছি যা আমার সুস্থ সবল বন্ধুরাও পারেনি। আমার পকেট খরচ, নেট খরচ খুব ভালোভাবেই তুলি আমি অনলাইনে একটা ছোট বাংলা ব্লগ লিখে। কিন্তু এবার ঈদে আমি একটু উদ্দেশ্যমূলকভাবেই বেশি আয় করার জন্য নেমে পড়ি। পূর্বের কিছু নিজের জমানো টাকা, আর নতুন কিছু ব্লগ আর ওয়েব সাইট সস্তায় ডিজাইন করে দিয়ে, বিজ্ঞাপনের সামান্য কিছু টাকা দিয়ে আমার ব্যালেন্স দাঁড়ায় সাড়ে সাত হাজার টাকার কিছু বেশি। এই দিয়ে আমি আব্বা, আম্মা, দুই ভাইয়া, তিন ভাইজা, ভাতিজি, দাদি এবং নানীর মধ্যবিত্তদের মত শপিং করিয়ে দেই। আমার এই প্রতিবন্ধক জীবনে আর কি চাই বলুন? এই বয়সে যদি আমি পুরো পরিবারকে শপিং করিয়ে দিতে পারি তাকে চাহিদার বেশি ছাড়া আর কি বলব ভাই? 

ব্লগিং করে আয় করতে চান?

এবারো আমি লাইনচ্যুত। দরকারী থেকে অদরকারী গল্পে চলে গিয়েছিলাম। আমাকে ফোন দিতে দিতে বিরক্ত করে তুলেছিলেন বেশ কিছু পাঠক। তাদের জন্যই উৎসর্গ করলাম আজকের লেখা। তাদের একটাই প্রশ্নঃ তাঁরা কিভাবে ব্লগিং করে আয় করবে? আমি তাদেরকে ভালো উত্তর দিতে পারিনি। কারণ কিভাবে দিব? ইনকাম তো রাতারাতি হয় এমন কোন মন্ত্রের বিষয় নয়। আসলে অনেকে ব্লগ থেকে আয় ব্যাপারটিই বুঝেনা। তাদের জন্যই আজকের গল্প। শুধু গল্প নয় রয়েছে বিশ্লেষণও!!! আমি এখনও গল্পই কিন্তু শুরু করিনি কিন্তু অনেক বেশি বকবক করে ফেলেছি। আপনি যদি বিরক্ত হয়ে থাকেন তাহলে আমার কিছুই করার নাই। আর যারা আমার সাথে আছেন তাঁরা চলুন। আমি একটি রূপক গল্প বানিয়েছি যা সম্পূর্ণ কাল্পনিক। কিন্তু যা আপনাকে পরিষ্কার ভাবে ব্লগিং এবং ব্লগিং থেকে আয়ের ধারণা দিবে। তবে চলুনঃ 

ব্লগিং নিয়ে আমার লেখা রূপক একটি গল্পঃ

মিঃ পিয়াস একজন অনার্সের ছাত্র। ভালো লেখার হাত আছে। সাস্থ্য সম্পর্কে ভালো লিখতে পারেন। কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপার হল তিনি মেডিকেলের ছাত্র নন। তিনি গ্রামে থাকায় শহরে লাইব্রেরীতে গিয়ে সাস্থ বিষয়ক বই পড়তেন তিনি। একদিন হাঁটতে হাঁটতে একটা ভিন্ন ধর্মী আইডিয়া মাথায় আসল তাঁর। তিনি চিন্তা করলেন মানুষ তো লাইব্রেরীতে গিয়ে বই পড়ে বিভিন্ন লেখকদের। কিন্তু আমি নাহয় এমন একটি আশ্চর্য জনক লাইব্রেরী বানাই যেখানে শুধু আমার হাতে লেখা বিভিন্ন সাস্থ বিষয়ক টিপস, আর্টিকেল ডেস্কে সাজানো থাকবে? ঠিক পরে পরেই তিনি লজ্জা পেয়ে বসলেন। এটা কোন আইডিয়া হল নাকি? লাইব্রেরী তো লাইব্রেরীই। সেখানে আবার হাতে লেখা কোন বই পত্র থাকে নাকি আর কেই বা এখানে পড়তে আসবে? তাছাড়া আমিতো একজন চেনা পরিচিত কোন লেখকও না। এইসব চিন্তা করতে করতেই মিঃ পিয়াস সেদিন পার করে ফেললেন। কিন্তু তিনি কিছু ভেবে বসলেন আর তা করবেন না সেরকম লোকও তিনি নয়।আর সেই গুণই পিয়াসকে সেই হাস্যকর আইডিয়ার একটি ছোট লাইব্রেরী বানালেন। একটি ঘর, একটি টেবিল, কাগজে লেখা কিছু সাস্থ্য বিষয়ক নিজের লেখা আর্টিকেল। মানুষ তো এই পাগলামি দেখে শুধুই হাসাহাসি করলেন। কেউ পড়েনা তো পড়েইনা উল্টো হাসি ঠাট্টা করেন। তিনি তো একদিন দুঃখে সেই লাইব্রেরী বন্ধই করে দিলেন। কিন্তু না, তাঁর মনোবলে আবার শুরু করলেন সেই কাজ। এবার মানুষ একটু কৌতূহল নিয়েই সেখানে গিয়ে লেখাগুলো উলটে পাল্টে দেখলেন, কিছু পড়লেন। আর এতেই আশ্চর্যজনকভাবে পাল্টে গেল সেই হাস্যকর লাইব্রেরীর অবস্থা! প্রথম যে লোকগুলো তাঁর লেখা পড়েছিলেন তাঁরা সেই লেখা গুলো পছন্দ করার কারনে বিভিন্ন লোকের কাছে ছড়িয়ে যায় পিয়াস সাহেবের সেই ভিন্ন রকম লাইব্রেরীর কথা। প্রতিদিন নতুন নতুন লেখার চেষ্টা করেন মিঃ পিয়াস। পাশাপাশি তিনি বিভিন্নভাবে মার্কেটিংও শুরু করে দিলেন। এতে আরও পাঠক বাড়তে থাকল তাঁর। মজার কথা হল পাঠক বাড়ার পাশাপাশি মিঃ পিয়াস তাঁর লাইব্রেরীতে বেশ কিছু আগ্রহী লেখকদেরও খোঁজ পেয়ে গেলেন। তিনি এরপর তাঁর আগ্রহী বন্ধু এবং সকল আগ্রহী লেখকদের লেখাও রাখতে শুরু করলেন। বাড়ল পাঠক, বাড়ল লেখক। তিনি ভাবলেন এতো লোকের যাওয়া আসা এখানে। তো একটি বিজ্ঞাপন এজেন্সির সাথে যোগাযোগ করলে কেমন হয়? তিনি একটি বিজ্ঞাপন এজেন্সীর সাথে যোগাযোগ করে ফেললেন। কিন্তু তাঁরা আগ্রহ দেখালেও পাঠক সংখ্যা খুব বেশি না হওয়ায় বিজ্ঞাপন মূল্য খুব কম বলল। তবুও মিঃ পিয়াস রাজি হয়ে গেলেন। কারণ তিনি ভাবলেন "নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভালো" । বিজ্ঞাপনী সংস্থাটি তাঁর সাথে চুক্তি করল যে, লাইব্রেরীর দেয়ালে বিভিন্ন ফাঁকা জায়গায় বিজ্ঞাপনী এজেন্সির প্রতিনিধি প্রতিদিন এসে বিজ্ঞাপনমূলক পোস্টার লাগিয়ে যাবেন। আর এক মাসে এজন্য তাঁকে দেয়া হবে ৫০০০ টাকা। প্রথম মাসের টাকা পেয়ে তিনি বেশ খুশি। খুব সামান্য টাকা নিজে পকেটে পুড়ে বাকি টাকা দিয়ে লাইব্রেরীর কিছু কাজ করালেন, তাঁর লাইব্রেরীতে যারা লেখেন তাদেরকে খুশি করতে একটি ভোজ আয়োজন করলেন এবং স্থানীয় একটি পত্রিকায় একটি বিজ্ঞাপন দিলেন তাঁর ভিন্ন স্বাদের লাইব্রেরীর। এতে সামান্য কিছু নতুন পাঠকও পেলেন তিনি। কিন্তু বড় একটি প্রাপ্তি পেলেন তিনি এতে। কিছুদিন পর এক সাংবাদিক তাঁর এই মজার এবং ভিন্নধর্মী লাইব্রেরী নিয়ে পত্রিকায় একটি লেখা প্রকাশ করলেন। আর তারপরের ঘটনা স্বপ্নের মত হয়ে গেল মিঃ পিয়াসের কাছে। পাঠক সংখ্যা বাড়তে বাড়তে সারা দেশে সাড়া পড়ে গেল এই ভিন্ন রকম লাইব্রেরীর কথা। এখন তাঁর অনেক অনেক পাঠক এবং লেখক। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পড়তে থাকল পাঠকরা। লেখকরাও কিছু সম্মানী পেতে লাগলেন। বিজ্ঞাপনী সংস্থা বাড়িয়ে দিয়েছে বিজ্ঞাপন মূল্য। আর এছাড়াও তিনি দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে বিভিন্ন কোম্পানির কাছে থেকে মোটা অংকের বিজ্ঞাপন পেতে লাগলেন। ব্যাস, নানা উন্নতি করতে করতে মিঃ পিয়াসের এই লাইব্রেরী অনেক বড় অবস্থানে। চারিদিকে তাঁর লাইব্রেরীর নাম ডাক এবং সাথে তো অনেক আয় করতেই লাগলেন। বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি তিনি কিছু নতুন নতুন আয়ের পথও বের করেছিলেন। যেমনঃ তাঁর ভালো ভালো লেখা বিক্রি করেন বিদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে অনলাইনের মাধ্যমে। সামান্য কিছু মূল্যের বিনিময়ে চালু করেন প্রিমিয়াম পাঠক সুবিধা। চলতে লাগলো মিঃ পিয়াসের জীবন.........। 

গল্প বিশ্লেষণঃ

আমার জীবনে লেখা এটা দ্বিতীয় গল্প। জানি লেখকের মত গল্প  লিখতে পারিনি। তাঁর প্রয়োজনও নেই। কারণ গল্প লেখাটা আমার উদ্দেশ্য ছিল না। গল্পটি যেহেতু রূপক আর সেটা দিয়ে আজকের টপিকস ব্লগিং আয়কে বুঝানোই আমার মূল উদ্দেশ্য। দুনিয়ায় এমন কোন লেখক আছেন যিনি তাঁর গল্পের বিশ্লেষণ করেও দেন? কিন্তু মজার ব্যাপার আমি আমার নিজের গল্প নিজেই বিশ্লেষণ করে দিব। আসুন ... আমি এই গল্প বিশ্লেষণ করতে মডেল হিসেবে বেছে নিব টেকটিউনসকে। তবে মনে রাখবেন আমি কিন্তু টেকটিউনসের প্রতিষ্ঠার ইতিহাসের ব্যাপারে জানিনা। কারণ টেকটিউন্স ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠা হলেও আমি টিটির সাথে পরিচয় হই ২০১১ সালের প্রথম দিকে। টিটির প্রতিষ্ঠা ইতিহাস না জানা থাকলেও অনুমান করে বলতে পারি আমার গল্পের কাহিনীর মত কষ্ট করে আজ ২০১৪ সালে পূর্ণ প্রতিষ্ঠিত। 
এবার আসি বিশ্লেশনে, এখানে গল্পের লাইব্রেরীকে তুলনা করেছি একটি ব্লগ (টেকটিউনস) এবং মিঃ পিয়াসকে তুলনা করেছি টেকটিউনসের প্রতিষ্ঠাতা মেহেদি হাসান আরিফ ভাইকে আর লেখক এবং পাঠক হিসেবে ধরেছি আমাদের মত টিউনার এবং টিউন পাঠককে। এটাই আমার গল্পের চরিত্র পরিচয়। আশা করছি আমার গল্পের মূল ভাব বুঝেছেন।
ব্লগ হল এমনই একটি প্লাটফর্ম যেখানে বিষয়ভিত্তিক নতুন নতুন লেখা থাকবে। যা লিখবেন আপনি। অবশ্যই মিঃ পিয়াস যেমন বই পড়ে পড়ে জ্ঞান নিয়ে নতুন আর্টিকেল লিখেছেন তেমন আপনাকেও আপনার ব্লগে লিখতে হবে। টেকটিউন্সে প্রথম দিকে হয়ত টিটির প্রতিষ্ঠার পিছনে থাকা ভাইরাই লিখত যেমনটি করেছেন মিঃ পিয়াস। আর তারপর মিঃ পিয়াস তাঁর কার্যক্রম চালাতে থাকেন তেমনি টেকটিউনসও চালাতে থাকে তাদের কার্যক্রম। এক সময় পরিচিত হয়ে পড়ে অনেক টেকনোলোজি লাভারের কাছে। বাড়তে থাকে টেকটিউনস লেখক এবং পাঠক সংখ্যা। ঠিক এভাবেই বেড়েছিল মিঃ পিয়াসের লাইব্রেরী পাঠক এবং লেখক সংখ্যা। তাঁরপর আসতে থাকে বিজ্ঞাপন। আর তা থেকেই শুরু হয় আয়। 
যারা একদম নতুন এবং ব্লগ থেকে আয় করতে চান তাদের জন্যই আমার এই বিশ্লেষণ। আশা করছি গল্পের সাথে বিশ্লেষণটি মিলালেই পেয়ে যাবেন ব্লগ এবং ব্লগ থেকে আয়ের সংজ্ঞা। অর্থাৎ ধৈর্য সহকারে আপনাকে একটি ব্লগ চালাতে হব। কপি পেস্ট লেখা দিয়ে নয় নিজে যা জানেন সেটাই লিখতে হবে। মিঃ পিয়াস যেমন মার্কেটিং করেছেন আপনাকেও ব্লগের মার্কেটিং করতে হবে। আর এই মার্কেটিং বলতে আমি এসইও কেই বুঝাচ্ছি। তাঁরপর এক দুই তিন করে বাড়তে থাকবে আপনার পাঠক সংখ্যা। তবে সেই পাঠক যদি আপনার লেখায় আকৃষ্ট হয় তবেই আপনি আরও পাঠক পাবেন অন্যথায় পাঠক বাড়ানো সম্ভব নয়। এছাড়াও আপনার ব্লগ বড় হওয়ার সাথে সাথে পেয়ে যাবেন বেশ কিছু আগ্রহী লেখক। তাদের লেখাও প্রকাশ করুন আপনার ব্লগে। তারপর যখন আপনি একটি বড় প্লাটফর্ম তৈরি করে ফেলবেন অর্থাৎ অনেক অনেক পাঠকের আনাগোনা হবে আপনার ব্লগে ঠিক তখনই আপনি আয়ের দিকে নজর দিবেন। তাঁর আগে যিনি আয়ের দিকে নজর দিবেন তিনিই মাটিতে পড়বেন ধপাশ করে। 

শেষ কথাঃ

এই পোস্টটা এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় লেখা। লিখেছি প্রায় ৩ ঘন্টার বেশি সময় ধরে। আঙ্গুল ব্যাথায় টনটন করছে। তাই শেষ কথাও বাড়িয়ে বলতে পারছিনা। শুধু বলব এই লেখা শুধুমাত্র ব্লগিং আয় করতে চান এমন নবীনদের জন্য। আর এক্সপার্টদের কাছে মতামত চাই। আরেকটি কথা নবীনদের জন্য বলব, আপনি যদি ব্লগ থেকে আয়ের ব্যাপারে আমার গল্প থেকে বুঝানো সারমর্ম কিছুটাও বুঝতে পেরে থাকেন তাহলে আমি বলব আপনি আজ না পারেন কাল না পারেন পরশু আপনি ঠিকই সফল হবেন। এটা তো গেল শুধু প্রথম দিকের কথা। তারপর ব্লগিং বিষয়ে সাহায্য লাগলে আপনার পাশে আছিই। ধন্যবাদ। আল্লাহ হাফেজ    

অ্যাডসেন্স কি? অ্যাডসেন্স থেকে কিভাবে আয় করা যায়?

প্রথমেই অপ্রাসঙ্গিক ভূমিকা টেনে নেই। কিছুটা ব্যক্তিগত। অনেকদিন পর ফিরে এলাম। নিয়মিত পাঠকদের বুঝতে অসুবিধা হচ্ছেনা। কারণ আপনারা জানেন আগামী ১ এপ্রিল থেকে আমার এইচএসসি পরীক্ষা। অথচ তবুও আপনাদের কাছে ফিরে না এসে থাকতে পারলাম না। আসলাম দোয়া নিতে। পরীক্ষার মধ্যেও যথাসাধ্য থাকার চেস্টা করব। 

অ্যাডসেন্স কি? অ্যাডসেন্স থেকে কিভাবে আয় করা যায়?

ব্লগিং থেকে আয়! এই টপিকটাকে নিয়ে আমি দু, চারটি লেখা লিখেছি। তন্মোধ্যে নবীনদেরকে ব্লগিং থেকে আয় -কথাটা বুঝাতে এক রূপক গল্পই লিখে ফেলেছিলাম। যারা পড়েছিলেন আশা করছি তাঁরা পানির মতো ক্লিয়ার বুঝে গেছেন ব্লগিং করে আয় টা কি এবং উত্তরও পেয়েছিলেন কিভাবেই বা ব্লগ থেকে আয় করা যায়। আর যারা পড়েন নি তাদের অনুরোধ করব পড়ে নিতে। ঐ লেখাটি পড়তে ক্লিক করুন এখানে। যাক শিরোনামে একবার বলেছি, আবারো বলছি, আজকের লেখাটি একদম নতুনদের জন্য। যেসব নবীন ব্লগাররা তাদের ব্লগ থেকে আয়ের কিছুটা কথা ভাবছেন। আমি কখনও আয়ের গ্যারান্টি দিয়ে পোস্ট করিনা। আমি শুধু বুঝার গ্যারান্টিটা দেই। আমি আপনাকে আয় করিয়ে দিব না, কিন্তু আয়টা কি এবং কিভাবে করবেন সেটার অন্তত সঠিক রাস্তাটা নিয়ে প্যাচাল শুনাবো। হয়ত সেটা বুঝলে নিজেই রাস্তা খুঁজে পাবেন।

অনেক ভাই কেবল এক খানা ব্লগ খুলেছেন আর তাতেই কোটি কোটি ডলার আয়ের সপ্নে বিভোর হওয়ার আশায় এই লেখা পড়তে এসেছেন। জি না ভাই। আমার কাছে সেই রাস্তা নাই। ১ বছর ধরে বাংলা ব্লগিং করার জন্য অ্যাডসেন্সের খুব বেশী একটা স্বাদ পাইনাই। আর তাই আমাকে কোন অ্যাডসেন্স মাস্টার ভাববেন না। কিন্তু আপনি হয়ে থাকেন যদি নতুন এবং বুঝতে চান "অ্যাডসেন্স" জিনিসটা কি। তবে সেই বুঝানোর ক্ষমতাটুকু আছে। নতুনরা তো অ্যাডসেন্সের নাম শুনতে শুনতে টাশকি খাওয়ার মতো অবস্থায় পড়ছে। এইটা আবার কি? এইটা নাকি সোনার হরিন? এইটা নাকি যাদুর বাক্স? এইটা দিয়া নাকি কোটি কোটি টাকা আয় সম্ভব? হ্যাঁ, এরকম প্রশ্নই দেখা মেলে নতুনদের মাঝে, এমনকি যারা মাত্র ১০-১৫ দিন হলো কেবল একটি ব্লগ খুলেছেন। এটা বাস্তব কথা। ভাবলাম তাদের জন্যই সহজ সরল কথার একটি গাইডলাইন লিখি। যাতে করে অন্তত তাঁরা অ্যাডসেন্স জিনিস টা কি সেটা বুঝতে শেখে। আর সারাদিনে কোটিপতি হওয়ার স্বপ্নটাকে যেন পানির মতো সোজা কাজ না ভাবে সেটাও বুঝানোর উদ্দেশ্যেই আজকের লেখা। 

অ্যাডসেন্স কি? খায় নাকি মাথায় দেয়?

না অ্যাডসেন্স প্রাণের কোন জুসও নয় আবার ডাবর আমলার তেলও নয় যে মাথায় দিবেন। কথা পরিষ্কার? না এখনও পরিষ্কার নয়। ৫০% ক্লিয়ার মনে হয়। আসলে বলতে চাচ্ছি অ্যাডসেন্স খায়ও না মাথায়ও দেয় না। তাহলে কি করে? বলছি। জানার শেখার ইচ্ছা থাকলে শুধু আমার সাথে চলুন। গুগল মামাকে চিনেন না কে কে আছেন হাত তুলুন? যারা হাত তুলেছেন তারা সাথে চলুন আর যারা চিনেন না তাঁরা আগে গুগল মামা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে আসুন। আবার অনেক নয়া জানলে ওয়ালার জ্ঞাতার্থে জানায় রাখি, গুগল মামা শুধু সার্চ ইঞ্জিন নয়। সে অনলাইন জগতের সেরা প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ড। গুগলের রয়েছে সার্চ সুবিধা ছাড়াও অনেক অনেক প্রোডাক্ট বা সার্ভিস। অ্যাডসেন্স হলো গুগলেরই একটা অংশ। আর তাই আগেই বলছি অ্যাডসেন্সকে সম্মান করে চলবেন। এবার মূল কথায় আসি। আপাত দৃষ্টিতে বলি, অ্যাডসেন্স হলো গুগলেরই একটা সার্ভিস যা মূলত বিজ্ঞাপন এজেন্সির কাজ করে। রহিমের কাছে বিজ্ঞাপন নেয় আর করিমের ব্লগে গিয়ে সেটা দেখায়। এটাই হলো এর মেইন কাজ। আর আয়ের কথায় আসি। অ্যাডসেন্স রহিমের কাছে যত টাকা নেয় বিজ্ঞাপনের জন্য তার নির্দিষ্ট একটা অংশ করিমকে দেয় বিজ্ঞাপনটা জনগণের কাছে দেখানোর জন্য। আর বাকি টাকা অ্যাডসেন্স নিজের সংসারের জন্য নেয়। এবার আসি কর্পোরেট ভাষায়, অ্যাডসেন্স হলো গুগলের মালিকানাধীন CPC (Cost Per Click) ভিত্তিক একটি বিজ্ঞাপনী সেবা। যার কাজ বিজ্ঞাপন দাতাদের কাছে বিজ্ঞাপন সংগ্রহ করা এবং বিভিন্ন চুক্তিবদ্ধ ব্লগে সেগুলো দেখিয়ে আয় করা। আয়ের কিছু অংশ নেয় ব্লগের মালিকেরা আর বাকি অংশ নেই অ্যাডসেন্স নিজেই। আর সহজ বাংলায় এই হলো অ্যাডসেন্স। যা খায়ও না মাথায়ও দেয় না। যা অনলাইন বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত সার্ভিস প্রদান করে। 

আমি কি পারবো অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে আয় করতে? 

আমার একটা ব্লগ আছে। আমি কি পারব অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে আয় করতে? তার আগে একটা খাটি বাংলা উদাহরণ দেই। আপনারা অবগত যে, দেশের এখন যে পরিস্থিতি তাতে চাকুরী পেতে আমরা বলি মামা চাচা লাগে। কথাটা কেমন যেন হলো না? মামা চাচা তো ভাই দু, একজন অভাগা ছাড়া প্রায় সবারই আছে। কিন্তু চাকুরী পেতে যে মামা চাচা বলা হয়েছে সেটাকে কিন্তু বিশেষ জাতীয় মামা চাচাকে বলা হয়েছে। এখানে বড় বড় মন্ত্রী, সচিব মামা চাচাদেরকে বুঝানো হয়েছে। তাহলে বুঝেই নেন শুধু মামা চাচা থাকলেই চাকুরী হয়না। লাগে নামি দামী মামা চাচা। প্রথমের দিকে আপনি প্রশ্ন করেছিলেন, আমার একটা ব্লগ আছে। আমি কি পারবো অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে আয় করতে? উত্তর দিয়েই দিছি উপরের মামা চাচার উদাহরনে। হ্যাঁ, আপনার কোটি কোটি ব্লগ থাকতে পারে। তো কি হয়েছে? কোয়ালিটি সম্পূর্ণ ব্লগ না হলে ঐ কয়েক কোটি ব্লগ অ্যাডসেন্সের ধারে কাছেও যাবার সুযোগ পাবেনা আয়ের জন্য। অর্থাৎ মামা চাচা লাগে যেমন নামী দামী। ঠিক তেমনি অ্যাডসেন্সের জন্য লাগে ওর চাহিদা সম্পূর্ণ আন্তর্জাতিক মানের ব্লগ। কারণ বলা যায় অ্যাডসেন্স হলো অনলাইন দুনিয়ার সেরা অ্যাড এজেন্সি। যা অ্যাডভারটাইজার অর্থাৎ বিজ্ঞাপন দাতা এবং পাবলিশার অর্থাৎ প্রকাশক উভয় পক্ষের স্বার্থই সমানভাবে দেখে। বিজ্ঞাপনদাতা যাতে তাঁর দেয়া বিজ্ঞাপনের সেরা ফলটাই যাতে পান এবং প্রকাশক সেই বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে যাতে ফাইভ স্টার হোটেলে খাওয়ার মতো টাকাও যেন পান। আর এই গুন বলেই অ্যাডসেন্স সেরা। আপনি যদি একজন যোগ্য পাবলিশার হয়ে থাকেন অর্থাৎ আপনার আন্তর্জাতিক মানের মানসম্মত ব্লগ থেকে থাকে তবে আপনিও পারবেন অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে আয় করতে। আর আয়টা নগন্য নয়। সেটা বড় লোক হবার জন্য যথেস্ট। বুঝা গেছে জিনিসটা? আর নবীনরা প্রথমেই ওয়াপকায় একটা গান ডাউনলোডের সাইটে বানিয়েই জিজ্ঞাস করে, আমি কি পারব অ্যাডসেন্সে আয় করতে? এতো প্যাচাল পারলাম আর তাই আপনার এরকম প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য করবেন না। নিজেই বুঝতে পারবেন আপনি অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে আয় করতে পারবেন কিনা?

আমার ভালো মানের ব্লগ আছে। আমি কি তাহলে পারব অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে আয় করতে? 

আপনার ভালো মানের ব্লগ আছে কিনা সেটা আমাকে জানিয়ে কোনই লাভ নাই। আপনার ব্লগ অ্যাডসেন্সের যোগ্য কিনা এটা শুধু অ্যাডসেন্স অথরিটিরই জানার কথা। আর আপাততভাবে অ্যাডসেন্সের বিভিন্ন নিয়ম নীতি পড়ে যদি আপনি মনে করেন, আপনার ব্লগ অ্যাডসেন্সে আবেদন করার যোগ্য তবে নির্দ্বিধায় অ্যাডসেন্সে আবেদন করুন। অ্যাডসেন্স আপনার সাইট দেখে জানিয়ে দিবে আপনি তাদের পাবলিশার হবার যোগ্য কিনা। 

জানি আরও অনেক অনেক জিজ্ঞাসা রয়েছে জ্ঞানপিপাসু নবীনদের মাঝে। কিন্তু কি করব ভাই, আর তিনদিন পর আমার এইচএসসি পরীক্ষা। লেখার ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও পারছিনা। অনেক নতুন ভাইরা এই অ্যাডসেন্সের বেসিক এই প্রশ্নগুলো করেছেন আর তাদের জন্যই আজকের এই লেখা। ভালো থাকবেনা। তবুও কোন প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই আমাকে জানাবেন। আর আমার পরীক্ষার জন্য সবাই দোয়া করবেন। ধন্যবাদ

ব্লগার কমেন্ট থেকে স্প্যাম লিংক Disable করে দিন

 
একটি ক্ষতিকর স্প্যাম লিংক আপনার ব্লগের গুরুত্ব অধিকাংশ কমিয়ে দিতে পারে সার্চ ইঞ্জিনের কাছে। আপনার একমাত্র শখের ব্লগ অথবা কমার্সিয়্যাল ব্লগকে সুস্থসবল রাখতে হলে আপনাকে অবশ্যই স্প্যামের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে।
আপনার ব্লগ কমেন্টে যেন কেউ স্প্যাম না করতে পারে আপনাকে সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।
এই স্প্যাম লিংক আপনি কিভাবে রুখতে পারবেন? আপনি দুইটি পদ্ধতিতে স্প্যামারদের আটকাতে পারবেন। প্রথমত হল কমেন্ট মডোরেশন করা আর দ্বিতীয় টি হল কমেন্ট এর মধ্যে লিংক হাইড করে দেওয়া।
আজকে আমি দেখাবো আপনার ব্লগে কিভাবে যেকোন প্রকার লিংক হাইড করবে। এক্ষেত্রে আপনাকে কিছু জাভাস্কিপ্ট ব্যবহার করতে হবে। তাহলে চলুন কাজ শুরু করা যাক।
ধাপ১ঃ ব্লগার ড্যাশবোর্ডে যান Template > Edit HTML  তারপর  </style> ট্যাগটি খুজে বের করুন
ধাপ২ঃ নিচের কোডটুকু কপি করে </style> ট্যাগের আগে পেষ্ট করুন।
.spammer-detected { font-size: 14px!important; color: #fff!important; background:#5cb0d8!important;margin: 25px; border-radius: 4px; display: inline-block; padding: 10px 15px!important; }
ধাপ৩ঃ এবার নিচের কোড টুকু </body> ট্যাগের আগে পেষ্ট করে দিন এবং টেমপ্লেটটি সেভ করে দিন।
<script type='text/javascript'> //<![CDATA[ function blockLinks(parentID, children) { var parent = document.getElementById(parentID), content = parent.getElementsByTagName(children); for (var i = 0; i < content.length; i++) { if (content[i].innerHTML.indexOf('</a>') !== -1) { content[i].innerHTML = "<mark>You are going to make spam</mark> Spam is not allowed!"; content[i].className = "spammer-detected"; } } } blockLinks('comment-holder', 'p'); //]]> </script> 

Translate

Follow Us

Sign up now

Get Dot com