Showing posts with label facebook. Show all posts
Showing posts with label facebook. Show all posts

How to Hack Facebook Account- 100% Working

এই পদ্ধতিটি কারো ক্ষতির জন্যে ব্যবহার করবেন না। শুধুমাত্র জ্ঞানঅর্জনের উদ্দেশ্যেই এই টিউনটি শেয়ার করলাম আপনাদের সাথে।"Hack Facebook" আমি স্টেপ বাই স্টেপ বুঝানোর চেষ্টা করছি কিভাবে করতে হয়। কম্পিউটার নিয়ে বেসিক নলেজ থাকলে যে কেউই ব্যবহার করতে পারবেন এই পদ্ধতিটি। Hack Facebook
প্রথমেই আপনি আপনার একাউন্টে লগিন করুন, এরপরে যার আইডি হ্যাক করতে চান তার ইউজারনেইম লিখে সার্চ করুন এবার ভিকটিমের আইডি তে ঢুকে তার ফেইসবুক ইউজারনেইমটি কালেক্ট করুন এটা পরবর্তিতে কাজে লাগবে। এবার আপনার আইডি থেকে লগআউট হয়ে বের হয়ে যান এবং ফেইসবুকের পাসওয়ার্ড রিসেট অপশনে যান ফরগেট পাসওয়ার্ডে ক্লিক করার মাধ্যমে। "Hack Facebook"
এবার আপনার মাউসের রাইট বাটনে ক্লিক করে ইন্সপেক্ট এলিমেন্ট সিলেক্ট করুন। মাউস দিয়ে পাসওয়ার্ড রিসেট বক্সটি সিলেক্ট করুন আমাদের রিসেট কোডের HTML কোডটি এডিট করতে হবে। এবার আপনাদের যা করতে হবে সেটা হচ্ছে নিচে দেওয়া কোডটি কপি করে রিসেট বক্সের এইচটিএমএল কোডের নিচে পেস্ট করে দিন আবার আপনি ইন্সপেক্ট এলিমেন্ট ক্লোজ করলে দেখতে পাবেন নতুন পাসওয়ার্ড লেখার অপশন পাচ্ছেন আপনার পছন্দ মতো পাসওয়ার্ড দিন।
ব্যাস কাজ শেষ আপনার নতুন দেওয়া পাসওয়ার্ডটি দিয়েই আপনি সেই আইডিতে লগিন করতে পারবেন। এইচটিএমএল কোডটি নিচে দিয়ে দিলাম, তবে একটা বিষয় সবাইকে বলে রাখছি। এইচটিএমএল কোডের একটি স্থান এডিট করতে হবে। এইচটিএমএল কোডের প্রথম লাইনেই আপনারা দেখতে পাবেন
  1. <form method="post" action="/recover/password?u=(VICTIM USERNAME)&n=389548" onsubmit="return window.Event && Event.__inlineSubmit && Event.__inlineSubmit(this,event)" id="u_0_4"><input type="hidden" name="lsd" value="AVoH0gpvlk4"autocomplete="off"><div class="mvl ptm uiInterstitial uiInterstitialLarge uiBoxWhite"><div class="uiHeader uiHeaderBottomBorder mhl mts uiHeaderPage interstitialHeader"><div class="clearfix uiHeaderTop"><div class="rfloat _ohf"><h2 class="accessible_elem">Choose a new password</h2><div class="uiHeaderActions"></div></div><div><h2 class="uiHeaderTitle" aria-hidden="true">Choose a new password</h2></div></div></div><div class="phl ptm uiInterstitialContent"><div class="mvm uiP fsm">A strong password is a combination of letters and punctuation marks. It must be at least 6 characters long.</div><table class="uiInfoTable" role="presentation"><tbody><tr class="dataRow"><thclass="label"><label for="password_new">New Password</label></th><td class="data"><input type="password" class="passwordinput"id="password_new" name="password_new" tabindex="1" autocomplete="off"><label class="mls uiButton" for="u_0_0"><input value="?"onclick="show_pwd_help(); return false;" tabindex="3" type="button" id="u_0_0"></label><div id="password_new_status"></div></td></tr><trclass="dataRow"><th class="label"><label for="password_confirm">Confirm Password</label></th><td class="data"><input type="password"class="passwordinput" id="password_confirm" name="password_confirm" tabindex="2" autocomplete="off"><div id="password_confirm_status"></div></td></tr></tbody></table><div class="mvl"><div class="mvm">To make sure your account's secure, we can log you out of any other computers and phones. You can log back in with your new password.</div><div class="mvm"><div class="uiInputLabel clearfix uiInputLabelLegacy"><inputtype="radio" checked="1" name="reason" value="kill_sessions" onclick="CSS.hide(ge("chpw_survey_hacked_warn&quotWink)"class="uiInputLabelInput uiInputLabelRadio" id="u_0_1"><label for="u_0_1" class="uiInputLabelLabel">Log me out of other devices</label></div><div class="uiInputLabel clearfix uiInputLabelLegacy"><input type="radio" name="reason" value="keep_sessions"onclick="CSS.show(ge("chpw_survey_hacked_warn&quotWink)" class="uiInputLabelInput uiInputLabelRadio" id="u_0_2"><label for="u_0_2"class="uiInputLabelLabel">Keep me logged in</label></div></div><div class="mtm hidden_elem" id="chpw_survey_hacked_warn"style="color:red;">If your account was hacked, please select "Log me out of other devices"</div></div></div><div class="uiInterstitialBar uiBoxGray topborder"><div class="clearfix"><div class="rfloat _ohf"><label class="uiButton uiButtonConfirm" id="btn_continue" for="u_0_3"><input value="Continue" name="btn_continue" type="submit" id="u_0_3"></label><a class="uiButton" href="/" role="button" name="reset_action"><span class="uiButtonText">Cancel</span></a></div><div class="pts"></div></div></div></div></form>

এখানে ভিকটিম ইউজারনেইমের জায়গায় যার আইডি হ্যাক করতে চান তার ইউজার নেইমটি দিয়ে দিবেন।
সবাইকে একটা অনুরোধ করছি দয়া করে কেউ এই টিউনটি থেকে শিখে খারাপ কাজ ব্যবহার করবেন না। হ্যাকিং একটি দন্ডনীয় অপরাধ যার জন্যে আপনি শাস্তির সম্মুখীন হতে পারেন। এই টিউনটি শুধুমাত্র লিখেছি এটা দেখানোর জন্যে কিভাবে হ্যাকিং এর স্বীকার হতে পারেন আপনারা সে সম্পর্কে, আপনার ফেইসবুক আইডিটি হ্যাকারদের হাত থেকে রক্ষা করতে অবশ্যই ফোন ভেরিফিকেশন অন কর নিবেন যেটা বাইপাস করা এক কথায় বলতে গেলে অসম্ভব!

ফিশিং সাইট তৈরি করে হ্যাক করুন ফেসবুক আইডি


সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভাল আছেন! এবং সব সময় ভাল থাকবেন সেই দোয়া করি ! আজকের টিউনের বিষয় ফেসবুক ফিশিং ! ফেসবুক ফিশিং এখন বাচ্চাদের কাজ তাই না? কিন্তু সাম্প্রতিক এক জরীপে দেখা গিয়েছে যাদের ফেসবুক আইডি হ্যাক হয় তার মধ্যে ফেসবুক ফিশিং এ হ্যাক এর পরিমান ৪৭ শতাংশ! এখন ভাবেন ফিশিং কতটা কার্যকর? ফেসবুক ফিশিং নিয়ে অনেক টিউন বা টিয়রেটিয়াল আছে। কিন্তু সেই টিউন অনুযায়ী কাজ করতে অনেক সময় বা নতুনরা পারেন না 😀 এবং তা বেশির ভাগ ইংলিশ থাকে 😛 কিন্তু আমি আপনাদের সম্পূর্ণ বাংলায় ফিশিং সাইট তৈরি করা শিখাব তা ও আবার বাংলায়! অবিজ্ঞরা দূরে থাকেন। শুদু মাত্র আপুনু যদি নতুন ফিশিং শিখতে চান তাইলে টিউনটা ফলো করুন।
ডেমো দেখতে ক্লিক করুন এখানে -- 
Screenshot_72
এখনতো দেখলেন কত সুন্দর অটো লাইক 😛 কিন্তু এর ভিতরে আছে ফিশিং 😀 আপুনি এই রকম ডিজাইন করে হয়ত অনেকের আইডির পাসওয়ার্ড জানতে পারবেন 😀 কিন্তু কোন খারাপ উদ্যেশে ব্যবহার করবে না 😀 (বলে কি হবে হ্যাকিং তো খারাপ উদেশ্য অথবা ব্ল্যাক মিল) আপনার যাই ইচ্ছা করবেন আমি কোন দায়ী থাকব না।

ফিশিং কি বা  এটা কি ভাবে কাজ করে?  

এটা যদি এখন আমি বলি তাইলে সবাই হাসা হাসি করবে 😛 কারন ফিশিং সম্পর্কে যানে না না অতচ ফেসবুক চালায় এই রকম মানুষ খুজে পাওয়া খুব কস্ট 😀 তবু ও যদি ফিশিং হ্যাকিং টিউন সম্পর্কে জানতে চাই তাইলে আমার এই  টিউন দেখতে পারেন :-

ফেসবুক হ্যাকিং এর সেরা ৫ উপায়!

কি ভাবে ফিশিং সাইট বানাবো?
হয়ত অনেক জানেন আগে বলেছি যারা জানেন না শুদু মাত্র তাদের জন্য! আমি দেখাব কি ভাবে ওয়ায়পাকাতে ফিশিং সাইট আপুনি বানাবেন ! তাই প্রথমে আপনাকে ওয়াপকাতে একটা সাইট থাকতে হবে 😀 এখনকার ইন্টারনেট যোগে সবার ওয়াপকার সাইট থাকে তাই ওয়ায়পাকাতে কি ভাবে সাইট তৈরি করতে হয় তা আর আমার বলা লাগবে না 😛 তবু ও যদি কেও খুলতে না পারেন তাইলে যোগাযোগ করবেন।
প্রথমে আপনার ওয়ায়পকা সাইটে ডুকুন, তারপর যে সাইটে ফিশিং বানাবেন সেই সাইটের পাশে Manage এ ক্লিক করুন
Screenshot_73
তারপর আপনার সামনে একটা বক্স ওপেন হবে এখন এখান থেকে Admin Mode এ ক্লিক করুন Screenshot_74
  তারপর আপনার সাইট ওপেন হবে এখন সাইটের নিচে দেখবেন লিখা আছে #edit site

Screenshot_75
এখন ইডিট সাইটে ক্লিক করেন ০, তারপর   আপনার সামনে একটা বক্স ওপেন হবে এখন Advanced functions থেকে - WML/XHTML code এ ক্লিক করুন  Screenshot_76
 তারপর আপনার সামনে একটা বক্স ওপেন  হবে
Screenshot_77
এখন  WML/XHTML code এর ঘড়ে এই নিচের কোড গুলা copy করে pase করুন  !!! 
কোডঃ ভিউ  ডাউনলোডঃ এখানে ক্লিক করুন 

সরাসরি টেক্সট ফাইল ডাউনলোড করুন এখান থেকে 

এখন অকে করুন 😀 ব্যাস কাজ শেষ :p এখন আপনার সাইট দেখুন 😛 টিক অটোলাইক এর মতন হয়ে গেছে 😀 এখন এটার লিংক শেয়ার করতে থাকেন 😛 আর যে আপনার সাইটে লগিন করবে তার ইমেইল পাসওয়ার্ড আপনার ইমেইলে চলে যাবে :)
হ্যাপি হ্যাকিং! 

ফেসবুক সম্পর্কে কিছু এক্সক্লুসিভ তথ্য

সামাজিক যোগাযোগের সর্বশ্রেষ্ঠ প্লাটফর্ম ফেসবুক বিষয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। ৪ ফেব্রুয়ারী ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করলেও মুলত ২০০৬ সালের পর থেকে ফেসবুক এক বিশাল কমিউনিটির রূপ নেয়। ফেসবুককে আমার কাছে ছোটবেলায় খেলা নোকিয়া ফোনের স্ন্যাক গেইমটার মতো মনে হয়। কারন এটি একের পর এক মানুষদের সংযুক্ত করছে আর আকারে বড় হচ্ছে। বর্তমান সময়ে এটা এমন এক অবস্থায় দাড়িয়েছে যে, কারও ফেসবুক অ্যাকাউন্ট না থাকলে তাকে এলিয়েনদের কাতারে ফেলা হয়। কারন হিসাবে একটি উদাহরণ দিচ্ছি, কিছুদিন আগে ফেসবুকে দেখলাম এক ভাইয়া তার নবজাতকের জন্য একটি আইডি খুলে ফেলেছে। তার সন্তান যখন বড় হবে তখন নাকি সে এই আইডি ব্যবহার করবে। এই বিষয়টা থেকে আপনারা হয়তো বুঝে গেছেন যে ফেসবুক আমাদের জীবনের প্রত্যেকটা ঘটনার সাথে কীভাবে জড়িয়ে গেছে। তবে প্রচার প্রসার এবং ব্যবহারে এগিয়ে থাকার কারনে স্বভাবতই কিছু প্রশ্ন সৃষ্টি হয়, সেটা হলো এটা আমাদের জীবনের জন্য কতোটা উপকারী? সাম্প্রতিক গবেষণায় যে উত্তরগুলো বের হয়ে আসছে আজ সেগুলো নিয়েই আমার সব আয়োজন।

ফেসবুক উচ্চমাত্রার আসক্তি সৃষ্টিকারী সামাজিক সাইট

এই টিউনটি যারা পড়ছেন তাদের মাঝেও অনেকেই ফেসবুকের চরম মাত্রায় আসক্ত রয়েছেন। আর যে কোন কিছুর প্রতি অতিরিক্ত মাত্রায় আসক্তি থাকাটা একটি সামাজিক ব্যাধি হিসাবে ধরা হয়। এবং এই আসক্তির মাত্রা খুব বেশি হলে যেকোন ধরনের ব্যক্তিগত এবং সামাজিক বিপর্যয় সৃষ্টি হতে পারে। আপনি ফেসবুকের প্রতি আসক্ত কিনা সেটা প্রমাণ করার জন্য কয়েকটি প্যারামিটার রয়েছে। আপনি নিজে মিলিয়ে নিন আপনার সাথে কোনগুলো মিলে যায়। তবে সেগুলো আপনার সাথে মিলে যাবে সেগুলো টিউমেন্ট সেকশনে জানাতে ভুলবেন না যেন।

ফেসবুক আসক্তির প্যারামিটার-

  • ফেসবুকে ছাড়া আপনি এক মূহুর্ত চলতে পারেন না। যেকোন ঘটনা ফেসবুকে শেয়ার করতে মন চায়।
  • দিনে একাধিকবার ছবি কিংবা স্ট্যাটাস আপডেট করেন।
  • কোন স্ট্যাটাস আপডেট করার পর মিনিটে মিনিটে নোটিফিকেশন চেক করা।
  • স্ট্যাটাসে লাইক কিংবা টিউমেন্টের জন্য মরিয়া হয়ে থাকেন। অটোলাইক অটো টিউমেন্টের পেছনে সময় শ্রম ব্যয় করেন।
  • আপনার এক বা একাধিকবার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে এবং এসময় আপনি নাওয়া খাওয়া ছেড়ে দিয়েছেন। যদিও এটা একান্তই আমার ব্যক্তিগত অভিমত। কারন যারা ফেসবুক নিয়ে বেশি টেনশন করে তাদের অ্যাকাউন্ট বেশি পরিমাণে হ্যাক হয়।
  • উপরের প্যারামিটারগুলো দেখার পরে যদি আপনার মেজাজ খারাপ হয় তাহলেও আপনি ফেসবুকের প্রতি চরম মাত্রায় আসক্ত। কারন সত্য কথা সব সময় নাকি তিতা লাগে।
  • এই লক্ষণগুলো যদি আপনার মাঝে থেকে থাকে তাহলে আপনি খুব শীঘ্রই মানুষিক এবং সামাজিক বিপর্যয়ের মাঝে পড়ে যাবেন। সুতরাং ফেসবুক থেকে সাময়িক দুরত্ব বজায় রেখে আসক্তি কমানোই শ্রেয়।

ফেসবুক উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে আপনার চিন্তাশক্তি নিয়ন্ত্রন করে

সাম্প্রতিক সময়ে প্রায় ৭ লাখ ফেসবুক ব্যবহারকারীর উপর গবেষণায় দেখা গেছে যদি তাদের টাইমলাইনে ইতিবাচক কোন বিষয় থাকে তাহলে তাদের চিন্তাভাবনাও ইতিবাচক হয়। অন্যদিকে নেতিবাচক বিষয়গুলোও তাদের চিন্তাভাবনাগুলো নেতিবাচক করে দেয়। তবে গবেষণার ফলাফল যায় আসুক সেটা কিন্তু বেশি গুরুত্বপূর্ণ না। আসল কথা হলো ফেসবুক চাইলেই আমাদের চিন্তাশক্তি তাদের নিজেদের মতো করে তৈরী করতে পারছে। আমরা বিভিন্ন পেইজ, অন্যদের টাইমলাইন ইত্যাদি দ্বারা ডাইভার্ট হয়ে যাচ্ছি। আমাদের চিন্তার জগত ফেসবুকের সাথে মিলে যাচ্ছে। ফেসবুকের যেকোন বিষয়কে আমরা আমাদের বাস্তব জীবনের সাথে মিলিয়ে ফেলছি। ফলে অনেক মিথ্যা সংবাদ এবং তথ্য নিয়ে আমরা বিভ্রান্ত হয়ে যাচ্ছি। এবং সেই আমাদের চিন্তার জগতকে পরিবর্তন করে ফেলছি। ইন্টারনেট ডট অর্গের বিরুদ্ধে প্রচারণাগুলোও কিন্তু একই কারনে হয়েছে। কারন এক্ষেত্রে আমরা কোন কোন কন্টেন্ট দেখবো সেটা আগে থেকেই নির্ধারণ করা। অতিরিক্ত ফেসবুক ব্যবহার আমাদের নিজেদের রিমোট কন্ট্রোলিং সিস্টেম তৈরী করে। কারন চিন্তার স্বাধীনতা না থাকলে ব্যক্তির স্বাধীনতা মূল্যহীন।

ফেসবুক হলো নতুন খেলার মাঠ

ফেসবুক বর্তমান তরুণ প্রজন্মকে এমন এক জায়গায় দাড় করিয়েছে যে, ফেসবুকের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি আমরা বাস্তবতাকে অনুধাবন করতে শুরু করেছি। আগে বিকাল হলে আমরা দলবেধে খেলতে যেতাম। ঘুরাঘুরি আড্ডা সব কিছুই হতো। কোন বন্ধুর কাছে প্রয়োজন হলে তার বাসায় গিয়ে একবার ঘুরে আসতাম। আর এখন প্রয়োজন হলে ফেসবুকে চ্যাট এর মাধ্যমেই সব কিছু করা হয়। ফেসবুকে আছে নানা রকম মজাদার গেইম। দিনে প্রায় ১০-৫০ টি গেইম রিকোয়েস্ট বিভিন্ন জনের কাছ থেকে পেতে হচ্ছে। আমরা ফেসবুক গেইমের উপর এতোটাই আসক্ত যে, যেকোন কথা ফেসবুকিও নিরিখে চিন্তা করি। যেমন, বিকাল বেলা শুয়ে শুয়ে আপনি হয়তো গেইম খেলছেন। এমন সময় আম্মু এসে বললো যে, এখনো শুয়ে শুয়ে কী করছো? যাও বায়রে গিয়ে খেলো। আপনি বাধ্য ছেলের মতো মোবাইল বা ল্যাপটপটা বায়রে এনে গেইম খেলা শুরু করলেন! কিন্তু ভেবে বলেন তো আম্মু কি আসলে এটাই করতে বলছিলো? অনেকেই প্রশ্ন করতে পারেন, ফেসবুকে গেইম খেললে সমস্যা কী? পরিমিত মাত্রায় গেইম খেললে কোন সমস্যা নেই, কিন্তু অনলাইনে গেইম খেললে প্রতিযোগিটা একটু অন্য রকম থাকে। সব সময় নতুন স্কোর করার চিন্তা আমাদের আচ্ছন্ন করে রাখে। ফলে ক্লাসরুম, রিডিংরুম এমনকি মসজিদ মন্দিরে ইবাদত করতে গিয়েও পোলাপাইনদের গেইম খেলতে দেখা যায়।

ফেসবুক মনে করিয়ে দেয় আমাদের কি নেই!

ফেসবুকে অনেক সময় দেখা যায়, আপনি কি সিঙ্গেল? তাহলে আপনার নিউজ ফীডে দারুন সব রিলেশনশীপ তথ্য জানতে পারবেন অমুক পেইজ থেকে। আসলে ফেসবুক সবার জন্য এক উন্মুক্ত জায়গা। এখানে প্রত্যেকটি স্টেইজের মানুষের সমাগম রয়েছে। আপনি নিউজ ফীডে দেখলেন চমৎকার সব হ্যাপি কাপলদের ছবি অথবা তাদের বিষয়ে মজার সব তথ্য। অথবা দেখে ফেললেন প্রেম করার উপকারীতা বিষয়ে কিছু ট্পিস। আপনার মনের ভেতরে তখন সহজাত প্রবৃতির কারনে আপনা আপনি একটা হাহাকার কাজ করবে। আপনি হয়তো খেয়াল করে দেখেন অনেকেই ফেসবুকে হৃদয় বিদারক স্ট্যাটাস আপডেট করে। এগুলো শুধুমাত্র আমাদের আবেগের বেহুদা প্রকাশ। এগুলো দ্বারা সামাজিক ভাবে কোন উপকার না হলেও মানুষিক দিক থেকে ঠিকই আমরা আমাদের অভাবটুকু বুঝতে পারি।

ফেসবুকই অনেকের কাছে ইন্টারনেট

আজকাল ইন্টারনেট বলতে অনেকেই ফেসবুকের বায়রে চিন্তা করতে পারেনা। বন্ধু বান্ধব অনেকেই গল্প করে বলে, আমি সারাদিন ইন্টারনেটে থাকি। আসলে দেখবেন তারা সারাদিন ফেসবুক নিয়ে পড়ে থাকে। ফেসবুকে অতি মাত্রায় আসক্তির কারনে ইন্টারনেট এর সঠিক ব্যবহার থেকে আমরা বঞ্চিত হচ্ছি। ফেসবুকের অন্য একটি ব্যাপার হলো ফেসবুকে অ্যানোনিমাস ব্রাউজিং সাপোর্ট করেনা। ফলে আমরা যে কারো ব্যক্তিগত বিষয়গুলো নিয়ে নাড়াচাড়া করার সুযোগ পাচ্ছি। ফলে ইন্টারনেটে সামাজিক কর্মকান্ডের পাশাপাশি অসামাজিক কাজেও জড়িয়ে পড়ছি।

ফেসবুক আমাদের শান্তি কেড়ে নিচ্ছে

ফেসবুক বিষয়ে সবচেয়ে বড় কথা হলো ফেসবুক আপনার মোড কে পরিবর্তন করতে পারেনা। শুধু সেটার তীব্রতা বাড়িয়ে দিতে পারে। আপনি যদি কখনো মন খারাপ নিয়ে ফেসবুকে বসেন তাহলে দেখবেন বিভিন্ন জনের মন খারাপ করা স্ট্যাটাসগুলো আপনার মন আরও খারাপ করে দিচ্ছে। তাছাড়া আমাদের অনেকের মাঝে মানুষিকতার সাদৃশ্য থাকার কারনে কখনো কারও মন খারাপ স্ট্যাটাস আমাদের মনকে আরও খারাপ করে দিচ্ছে। ফেসবুকে বানানো কোন ঘটনা যদি আপনার জীবনের সাথে আংশিক মিলে যায় তাহলে সেই ঘটনার শেষটুকুর সাথে নিজেকে মিলাতে শুরু করেন। আজকাল মানুষের মাঝে হতাশা, নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস এবং কর্মের দৃঢ়তার যে ঘাটতি দেখা যায় তার মূল কিন্তু অনেকাংশ ফেসবুক। আপনি ফেসবুকে লগিন থাকা অবস্থায় কোন কাজ করলে দেখবেন সময় এবং শ্রম প্রায় ৩গুন বেশি লাগে। আর ফেসবুক ব্যবহারকারীদের জন্য সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো লগআউট অপশনে ক্লিক করা।
আজকের এই টিউনটার মূল উদ্দেশ্য কিন্তু আপনাদের ফেসবুক ব্যবহার করা থেকে বিরত রাখা না। বরং ফেসবুক ব্যবহারে আরও একটু সতর্ক করা। জীবনের প্রয়োজনে আমরা প্রযুক্তি ব্যবহার করি। কিন্তু সেই প্রযুক্তির কারনে আমাদের জীবন যাত্রা বাধাগ্রস্থ হলে সেটা সত্যিই হতাশার। আশা করবো সামনের দিনগুলোতে আপনারা ফেসবুকের স্বল্প ব্যবহার করবেন। কারন, প্রত্যেক জিনিসই ততোক্ষণ পর্যন্ত ভালো থাকে যতোক্ষণ পর্যন্ত না সেটার অতিরিক্ত ব্যবহার না করা হয়। তবে শেষ করার আগে একটা মজার জিনিস বলি, আপনারা গুগলে Facebook Addiction লিখে ইমেজ সার্চ করে একবার দেখতে পারেন। এত্তো মজার সব ছবি আসে যে, সেগুলো দেখে হাসতে হাসতে আমি অস্থির হয়ে গিয়েছিলাম। আপনাদের জন্য সেখান থেকে কয়েকটি তুলে দিলাম। এতোগুলো তিক্ত কথার মাঝে কিছুটা আনন্দ দেওয়ার এক ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা মাত্র। কেমন লাগলো সেটা অবশ্যই জানাবেন।
  • যখন আমরা পড়তে বসি তখন ফেসবুক যে ভুমিকা পালন করে!
  • গোপন কিংবা প্রকাশ্য যেকোন কিছু যারা ফেসবুকে শেয়ার করে থাকতে পারে না।
  • জীবনের সব আনন্দময় মূহুর্ত যাদের ফেইসবুক ঘিরে আবর্তিত হয়!
  • ঘটনার গুরুত্বের চাইতে যখন ফেইসবুকে শেয়ার করাটা বেশি প্রাধান্য পায়!
  • ফেইসবুক আসক্তরা যদি কোনদিন ফেইসবুক ছেড়ে বাস্তব জগতে চলে আসে...
  • আমরা প্রতিদিন কিছু ফেইসবুক পাগল দ্বারা যে ধরনের সমস্যার সম্মুখিন হই।
  • বাংলা ডায়লগগুলো ঘটনা অনুসারে সংযোজন করলাম। জানিনা কেমন হয়েছে, তবে টিউনের কন্টেন্টগুলো নিজের প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকবেন।

কিভাবে একটা ফেসবুক প্রোফাইল কে ফেসবুক পেজে কনভার্ট করবেন জেনে নিন..( আপডেট )

আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজকে আপনাদের সাথে আলোচনা করবো কি করে একটা ফেসবুক প্রোফাইল কে ফেসবুক পেজে কনভার্ট করবেন।  

এর শুবিধা সমুহ

  1. আপনার আইডি তে যত ফ্রেন্ড থাকবে পেইজে রুপান্তরের পর তত লাইক থাকবে। ফলে সহজেই একটা পেজে অনেক লাইক পেলেন। কেননা নতুন একটা পেইজ খুলে লাইক পাওয়য়া সহজ নয়।

অসুবিধা

  1. সব ডাটা মুছে যেতে পারে।
  2. পুনারায় আর ব্যাক করা সম্ভব না



তাহলে নিজেই চিন্তা করে ভেবে দেখুন কি করবেন। যারা তারপর্ ও upgrade করতে চান তারা নিচের নিয়ম মেনে কাজ করুন।

আপনার যদি একের অধিক ফেসবুক প্রোফাইল থাকে এবং আপনি যদি চান যে একটা প্রোফাইল রেখে অন্যটি পেজে কনভার্ট করবেন তাহলে এ টিউন টি আপনার জন্য। আপনি চাইলে আপনার ব্যাবসা বা অন্য কোন কিছুর নামেও করতে পারেন। এক্ষেত্রে ঐ প্রোফাইল এর সকল ফ্রেন্ড তখন ঐ পেজের ফ্যান এ কনভার্ট হয়ে যাবে।
যাহোক কাজের কথায় আসি। প্রথমে যে প্রোফাইল টি কনভার্ট করবেন সেটিতে লগিন করুন। তবে একটা কথা মনে রাখবেন আর সেটি হল যে নামে পেজটি করবেন তার আগে অবশ্যই প্রোফাইল এর নাম ঐ নামে করে রাখবেন কারন পেজে কনভার্ট করার সময় আপনার প্রোফাইল যে নামে থাকবে সেই নামেই পেজ এর নাম হবে সেটি পরিবর্তন করতে পারবেন না। প্রোফাইল এর নাম পরিবর্তন করার সময় সাবধানতার সাতে করবেন কারন একবার নাম পরিবর্তন করলে ৬০ দিনের আগে আর পরিবর্তন করতে পারবেন না। তবে যদি প্রোফাইল এর ফ্রেন্ড সংখ্যা ২০০ এর কম থাকে তাহলে পেজে কনভার্ট করার পরেও পেজের নাম পরিবর্তন করতে পারবেন।
এখন ঐ প্রোফাইল এ  লগিন অবস্থায় নিছের লিঙ্কে যান।


এরপর যে কোন একটা ক্যাটেগরি নির্বাচন করুন।
file

এরপর এখানে একটা ক্যাটেগরি নির্বাচন করে Get Started বাটন এ ক্লিক করুন।
এখন যেসব তথ্য চায় সেসব তথ্য দিন বাস কাজ শেষ।
আপনি চাইলে এই প্রোফাইল এর ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগিন করে এই পেজ ম্যানেজ করতে পারেন অথবা setting>Page Roles এ গিয়ে আপনি যাকে অ্যাডমিন বানাতে চান তার ইমেইল অ্যাড করে নিন এবং তার অ্যাক্সেস যেন Admin হয়।
file (1)

ব্যাস এখন থেকে আপনি এই পেজকে যে প্রোফাইল কে অ্যাক্সেস দিবেন সেখান থেকে ম্যানেজ করতে করতে পারবেন। সবাই ভাল থাকবেন।

বিদ্র ঃ  কোন ফেসবুক আইডিকে পেজে রূপান্তর করার পরে তা পুনরায় আইডিতে ফিরিয়ে আনা যাবে না। 

ফেসবুকের ভাইরাস দূর করার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রিকস

ফেসবুকে বন্ধুর সঙ্গে চ্যাট করছেন, হুট করে আপনার কাছে একটি লিংক এল। কিসের লিংক, কেন দিল, না জেনেই ক্লিক করেই সর্বনাশের লেজে পা দিলেন বলে! এখন এমন লিংক আপনার অন্য বন্ধুদের মেসেজেও চলে যাবে। কখনো-বা অপ্রীতিকর ছবি ফেসবুকের ওয়ালে টিউন হবে এবং অন্য বন্ধুদের ট্যাগ করবে।
যা করা জরুরি: ফেসবুকের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন এবং আজেবাজে অ্যাপস মুছে ফেলা, ব্রাউজারের অব্যবহৃত ও সন্দেহজনক ছোট প্রোগ্রাম বাদ দেওয়া এবং হালনাগাদ করা, ভালো মানের অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করা।
পাসওয়ার্ড ও অ্যাপস মুছতে: ফেসবুকের ভাইরাসের কবলে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করতে হবে এবং Activity Log থেকে আক্রান্ত টিউন মুছতে হবে।
  • ফেসবুকের অ্যাকাউন্টে লগইন করে ডান পাশের তির চিহ্নে ক্লিক করে Settings-এ যান।
  • এখানে General Account Settings-এর Password লেখায় ক্লিক করে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন।
  • পরিবর্তন সফল হলে Log me Out of other devices বার্তা দেখিয়ে অন্য যন্ত্র থেকে অ্যাকাউন্ট সরাতে বলবে।
  • অ্যাপস সরাতে Settings-এর বাঁয়ের তালিকার Apps-এ ক্লিক করে যে অ্যাপস আগে ব্যবহার করেননি, সেটি মুছে (রিমুভ) ফেলুন।
  • এখানে থাকা Apps, Websites and Plugins ও Apps Others Use-এ ক্লিক করে আগের সেটিংসগুলো পুনরায় নির্ধারণ করুন।
ফলে পরবর্তী সময়ে ভাইরাস আক্রমণ করার সুযোগ কমে যাবে।
ব্রাউজারের ছোট প্রোগ্রাম মুছতে:  একেক ব্রাউজারে একেক রকম সেটিংস দেওয়া থাকে। তাই নিয়মিত যে ব্রাউজার ব্যবহার করে ফেসবুক চালান...
  • সেই ব্রাউজারের Tools বা Option বা Preferences-এ গিয়ে Add-ons, Extensions, Plug-ins-এর অব্যবহৃত ও সন্দেহজনক ছোট প্রোগ্রামগুলো মুছে ফেলুন।
অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার: ম্যালওয়্যার বা ভাইরাস সরাতে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ কিছু অনলাইন অ্যান্টিভাইরাস সুপারিশ করে। তার মধ্যে...
এসকল চেকপয়েন্ট গিয়ে ফেসবুককে অনলাইনে স্ক্যান করে নেওয়া যায়।
  • ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লগইন থাকা অবস্থায় যেকোন চেকপয়েন্ট লিংকে যান।
  • অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড চাইলে তা লিখে Continue চাপুন।
  • এরপর Secure Your Account নামের বক্স এলে এখানে আবার Continue চেপে ডাউনলোড করে ইনস্টল করুন।
স্ক্যান শেষে অ্যাকাউন্টের বর্তমান অবস্থা একটি নোটিফিকেশনের মাধ্যমে জানিয়ে দেবে

পিসিতেও ব্যবহার করুন ফ্রি ইন্টারনেট সারাজীবনের জন্য

আমরা জানি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চালু হয়েছে জুকারবার্গের ফ্রি ইন্টারনেট internet.org। এটা মোবাইলে ব্যবহার করা যায়। কিন্তু পিসিতে ব্যবহার করা যায় না। আজ আমি আপনাদেরকে শিখাবো কীভাবে পিসি দিয়েও এটা ব্যবহার করা যায়।
যা যা লাগবে:

১। একটি ইউ, এস, বি মোডেম।
২। একটি রবি সিম।
৩। একটি মজিলা ফায়ারফক্স ব্রাউজার।
প্রথমে পিসিকে মোবাইল ভার্সন করতে হবে। তবে পিসিকে যেহেতু মোবাইল ভার্সন বানাব তবে আমরা iphone ভার্সনই বানাব। তবে চলুন শুরু করা যাক।
প্রথমে আপনার ব্রাউজারটি ওপেন করুন। তারপর ফায়ারফক্সের এড্রেসবারে লিখুন about:config





তারপর ক্লিক করুন I promise.
এবার উইন্ডোজের উপর মাউস রেখে রাইট বাটনে ক্লিক করুন New>string.
Preference নাম দিন - general.useragent.override।

তারপর ভ্যালু দিন Mozilla/5.0 (iPhone; U; CPU iPhone OS 3_0 like Mac OS X; en-us) AppleWebKit/528.18 (KHTML, like Gecko) Version/4.0 Mobile/7A341 Safari/528.16
internet.org তে গিয়ে তালিকাভুক্ত ফাইলগুলো দেখুন। আর ফ্রি ব্যবহার করুন ইন্টারটে।
যেসব সাইট ফ্রি ব্রাউজ করতে পারবেন:
১। ফেইসবুক
২। প্রথম আলো
৩। বিডি জবস্‌।
৪। বিডি নিউজ ২৪.কম।
৫। গার্ল ইফেক্ট
৬। সরকারী বিভিন্ন সেবা।
৭। আরও অনেক কিছু।
আবার ফায়ারফক্সকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে নিয়ে আসতে চাইলে about:config এ যান। সার্চ করুন general.useragent.override। আর রিসিট করে দিন।
সীমাবদ্ধতা:
১। ডাউনলোড করা যাবে না।
২। অনেক সাইটে ছবি দেখা যাবে না।

ফেসবুকের টাইমলাইন রিমুভ করে পুরাতন প্রোফাইল ফিরে পান মাত্র ৩ ক্লিকে



আমার পোস্টের বিষয় ফেসবুকের টাইমলাইন রিমুভ করে আবার পুরাতন প্রোফাইল ফিরে পাওয়া। এর আগে অনেক পোস্ট ই এই বিষয়ে হয়েছে। যদি আমার টা আগের কোনো ওস্টের সাথে মিলে যায় তাহলে দয়া করে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
ফেসবুকের টাইমলাইন কারো জন্যে দারুন ফ্যাশেনেবল আবার কারো জন্যে চরম বিরক্তিকর। বিশেষ করে টাইমলাইনে প্রোফাইলের তথ্য অন্য সবাই দেখতে পারায় টাইমলাইনের ওপরে অনেকেই বিরক্ত। বিভিন্ন উপায়ে ফেসবুকের টাইমলাইন রিমুভ করা যায়, তবে আজকে যে পদ্ধতী টি জানাবো সেটা এ পর্যন্ত সবচেয়ে সহজ পদ্ধতী।
মূলত এর জন্যে আপনাকে ফায়ারফক্সের একটা এড অন ইন্সটল করতে হবে।
প্রথমে TimeLineremove extention টি ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নিন। লিঙ্ক এ ক্লিক করে আ্যলাও বাটনে ক্লিক করুন
ব্যাস হয়ে গেল। ইন্সটল করা হয়ে গেলে আপনার  ফেসবুক প্রোফাইল টি রিফ্রেশ করুন। দেখুন আপনার পুরাতন প্রোফাইল চলে এসেছে।
এড অন টি ডিজ্যাবেল করতে আপনার ফায়ারফক্সের Tools>Add ons এ গিয়ে ডিজ্যাবেল করে দিন, আবার টাইমলাইন ফিরে পাবেন।

Facebook Timeline Remove 0.8.2




Facebook Timeline Remove 0.8.2 | 1.26 MB


If you don’t like the new Timeline feature on Facebook and want to view profiles in the old style, then TimelineRemove is the perfect browser extension for you. (Firefox, Internet Explorer, Chrome and Safari) included in one zip!

This tiny, but handy tool disables the new Facebook timeline feature and restores the classic look, without changing the timeline behavior for other visitors of your Facebook profile. The extension basically works by hiding the timeline, so you can view your own and others’ profiles in the old style.

TimelineRemove works automatically once installed, and a button is added to the toolbar that lets you toggle the timeline on and off, whenever you want.

Editor's Note: The download contains 3 files; .xpi for Firefox, .exe for Internet Explorer, .safariextz for Safari and .crx for Chrome. You can visit the author link to download individually.


Download links-

বাংলা পুরনো গান সুনুন আমদের চেনেলে

Translate

Follow Us

Sign up now

Get Dot com